Blogger-এ ফ্রি ব্লগ তৈরির নিয়ম (10 মিনিটে ব্লগ রেডি)

প্রিয় পাঠক, বরাবরের মত এবার আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটা আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি, আজকের আর্টিকেলের মূল বিষয় হলো কিভাবে ব্লগ তৈরী করব ? একদম ফ্রিতে সম্পূর্ণ একটি প্রফেশনাল ব্লগ তৈরির করার নিয়ম ? ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলব?

আপনি হয়তো আজকের এই বিষয় গুলো নিয়ে ভাবছেন, যদি আপনি আজকের এই গুলো বিষয়টি নিয়ে ভেবে থাকেন তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন, কিভাবে আপনি একটি নতুন ব্লগ তৈরি করবেন তা আজকের আর্টিকেলে স্টেপ বাই স্টেপ দেওয়া হয়েছে।

বন্ধুরা দেখুন এখন বর্তমান সময়ে, ফ্রিতে একটি ব্লগ সাইট খোলার নিয়ম বলতে মূলত দু ধরনের বলা হয়েছে। আপনাকে হয়তো Blogger-এর দ্বারা একদম বিনামূল্য সম্পূর্ণ ফ্রীতে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে হবে, আর তা নাহলে আপনাকে WordPress-এর দ্বারা একটি প্রফেশনাল ব্লগ সাইট বানাতে হবে।

বন্ধুরা আপনি যদি এমনিতে ব্লগার একাউন্ট তৈরি করার মাধমেও আপনি যদি আপনি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ভাবে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট বানিয়ে নিতে পারবেন। আর যদি আপনি একটি প্রফেশনাল ভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে WordPress-এর ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে web hosting তারপর আপনি একটি প্রফেশনাল ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।

বন্ধুরা, তবে একটা কথা মনে রাখবেন ব্লগার (blogger.com) এর ক্ষেত্রে আপনাকে কোন ধরনের আলাদা ভাবে ওয়েব হোস্টিং কিনতে হবেনা। blogger.com এগিয়ে আপনি ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

যদি আপনি পনেরশ টাকা খরচ করেন,তবে চাইলে নেমচিপ ডটকম এগিয়ে আপনি নিজের একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনে নিতে পারবেন।

বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন যে, একটি ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলব এবং ব্লগার প্লাটফর্মটি ব্যবহার করে কিভাবে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে হয় এবং ব্লগার এবং WordPress এ কি লাগতে পারে তা আপনাদের এ বিষয়ে সম্পূর্ণ স্টেপ বাই স্টেপ বলবো।

তবে একটা কথা ভালোভাবে মনে রাখবেন, Google এর blogger দ্বারা আপনি বিনামূল্য একদম সম্পূর্ণ ফ্রীতে কোন ধরনের টাকা খরচ না করেই একদম ফ্রিতে ব্লগ খুলতে পারবেন।

এছাড়া, Google এর blogger এর দ্বারা একটি ব্লগ তৈরি করার নিয়ম অনেকটাই সোজা।

যদি আপনার ইচ্ছা করে তাহলে আপনি নিজের ব্লগার ব্লগে একটি টপ লেভেল ডোমিন (Top Level Domain) (.com, .info, .NET etc.) কানেক্ট করতে পারবেন, যেটা যেটার মূল্য ১৫০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই তা আপনি ভালোভাবে কিনে নিতে পারবেন।

Blogger কি? ব্লগারে ব্লগ তৈরির জন্য কিসের প্রয়োজন ?

Blogger-এ ফ্রি ব্লগ তৈরির নিয়ম

How to create a blog in blogger in Bangla

ব্লগার বা Google Blogger এ এটি একটি বিনামূল্যের ওয়েবসাইট নির্মাতা যা আপনি Blogger.com ব্যবহার করে আপনি নিজের ব্লগ সাইট তৈরি পারেন।

ব্লগার Google এর একটি বিনামূল্য প্রোডাক্ট হওয়ার কারণে এখানে চাইলে যে কেউ ব্লগার এগিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবে এবং এটি একটি অনেক বিশ্বস্ত প্লাটফর্ম এবং কোন টাকা পয়সা না খরচ করেই একদম ফ্রীতে ব্লগ বানানোর জন্য এটি একটি অনেক কার্যকর google এর পরিষেবা যা সকলের জন্য প্রদান করে থাকে।

দেখা যায় অনেক সময় নতুন অবস্থায় বা শুরু দিকে বেশিরভাগ মানুষেরাই Blogger-এর মাধ্যম blogging সাইট তৈরি করে শুরুতে তারা লেখালেখি করে থাকেন।

বন্ধুরা, এখানে ব্লগ তৈরি করার জন্য আপনার সর্বপ্রথমে যা প্রয়োজন হবে একটি Google বা Gmail একাউন্টের। এছাড়া, আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী আপনি এই জিমেইল একাউন্ট দিয়ে আপনি একটি ব্লগার একাউন্টের মধ্যেই অনেকগুলি ব্লগ তৈরি করে হোস্ট করতে পারবেন।

বন্ধুরা, যদি আপনার জিমেইল একাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে জেনে নিন কিভাবে জিমেইল একাউন্ট তৈরি করবেন তা এখানে বিস্তারিত দেওয়া আছে, তাহলে জেনেনিন – Gmail একাউন্ট কিভাবে বানাবেন

Gmail একাউন্টে ব্লগ তৈরি করার জন্য আপনাকে কোনো ধরনের টাকা পয়সা বা ডলার দেওয়ার প্রয়োজন হবেনা, তাছাড়াও অনেকেই মনে করেন অন্য কোন জিনিস যেমন তা হল hosting বা theme ইত্যাদির জন্য Blogger-এ কোন ধরনের টাকা দিতে হবেনা।

গুগলের এই পরিষেবাটি পুরোপুরি একদম বিনামূল্য ফ্রি এবং এখানে ফ্রিতে Blog বানানোর মাধ্যমে আপনি চাইলে এই ব্লগেও Google AdSense এর বিজ্ঞাপন লাগিয়ে তা আপনি অনলাইনে ইনকাম করার অনেক সুযোগ সুবিধা পাবেন।

প্রিয় বন্ধুরা, তাহলে আর দেরি করে চলুন জেনে নেওয়া যাক, একটি ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলবো এবং Google এর Blogger.com এর দ্বারা ব্লগ তৈরির করার সম্পূর্ণ নিয়ম কানুন গুলো ভালোভাবে জেনেনেই।

ব্লগার দিয়ে কিভাবে ব্লগ তৈরী করবো? ব্লগ তৈরির নিয়ম

আপনি আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানতে পারবেন Blogger.com দিয়ে কিভাবে একটি ফ্রি ব্লগ তৈরি করে? আপনি যদি আজকের এই ক আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আপনি ফ্রি blog সাইট তৈরি করার নিয়ম জানতে পারবেন।

অনেকেই আমাদের কাছে প্রশ্ন করে থাকেন যে কিভাবে একটি ব্লগার একাউন্ট খুলব এবং Blogger-এ গিয়ে ব্লগ সাইট বানানোর নিয়ম কি? আজকের এই সমস্ত প্রশ্ন নিয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য এই বিষয়ে নিচে আমি স্টেপ বাই স্টেপ এবং সম্পূর্ণ বিষয় গুলো নিয়ে নিচে বলে দিয়েছি।

Blogger.com -এ ব্লগ বানানোর জন্য আপনার laptop বা computer ব্যবহার অবশ্যই তা কিন্তু করতে হবে এবং blog সাইট খোলার সময় internet connection থাকাটা অবশ্যই কিন্তু থাকতে হবে।

বন্ধুরা, আমি আপনাদেরকে আগেই বলেছি যে, ব্লগ বানানোর জন্য আপনার একটি Gmail অ্যাকাউন্ট বা Google একাউন্ট এর প্রয়োজন হবে।

আরও দেখুন..

আপনার যদি আমাদের বলা ওপরে বলা জিমেইল একাউন্ট জিনিষগুলি তৈরি থাকলে, তাহলে আমি এখন নিচে যেগুলো বিষয় steps গুলি অনুসরণ করতে বলব আপনি যদি সেই বিষয়গুলো অনুসরণ করেন তাহলে আপনি ব্লগারে নিজের একটি ব্লগ বানিয়ে নিতে পারবেন।

চলুন তাহলে আর কথা না বলে শুরু করা যাক আজকের ব্লগ তৈরি করার নিয়ম, এখন নিচে আমরা blogger.com এ গিয়ে ব্লগ খোলার নিয়ম গুলি ভালোভাবে তা জেনেনেই।

স্টেপ ১. Google account লগইন করুন:

প্রথমে আপনি সবার আগেই আপনার নিজের computer বা laptop থেকে গুগলে গিয়ে টাইপ করুন Blogger.com আপনাকে এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

Login to blogger account.

Login to blogger account

আপনি ওয়েবসাইটে যাওয়ার পর আপনি আমাদের ওপরে দেওয়া ছবিতে দেখার মতোই ব্লগারের home page-টি তা ভালোভাবে দেখতে পাবেন।

  • আপনি সরাসরি, আমি যেভাবে উপরের লাল বিত্ত করে দেখিয়ে দিয়েছি ঠিক সেভাবে আপনি “Create your blog” বলে থাকা লিংক বা বটনটির মধ্যে অবশ্যই click করবেন।
  • “Create blog” বাটন এ ক্লিক করার পর পর আপনি Google account login পেজটি তা দেখতে পারবেন।

Account login

তখন আপনি Account login পেজে আপনি আপনার নিজের জিমেইল আইডি এবং password দিন এবং তারপর নিজের Google একাউন্টে লগইন করবেন।

একটা বিষয় ভালোভাবে মনে রাখবেন, আপনার জিমেইল একাউন্টে লগইন করা মানেই আপনার blogger একাউন্টে লগইন করা হবে।

বন্ধুরা, আপনাকে কোন রকমের আলাদা ভাবে একটি ব্লগার একাউন্ট তৈরি করার কোন প্রয়োজন হবে না। শুধুমাত্র আপনার জিমেইল দিয়ে লগইন করার পর আপনার Blogger account তৈরি অটোমেটিক হয়ে যাবে।

স্টেপ ২. ব্লগার profile name সেট করুন:

এখন আপনার জিমেইল একাউন্ট দিয়ে যখন আপনি আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করবেন তখন লগইন করার পর আপনি ব্লগারের ওয়েবসাইট বিল্ডার প্লাটফর্মে লগইন হয়ে যাবে।

প্রথমেই শুরুর দিকে আপনাকে আপনার ব্লগার প্রোফাইলের profile name set করতে বলা হবে।

welcome to blogger

আপনি হয়তো ওপরে ছবিতে ভালোভাবে দেখতেই পারছেন, ওপরে “welcome to blogger” লেখা আছে এবং নিচে “confirm your profile” বলে তাও লিখা আছে।

  • আপনাকে নিচে “Display name” বক্সে একটি profile name অবশ্যই তা ভালোভাবে দিতে হবে।
  • আপনি যেমন যেকোন নাম দিতে পারেন তা আমি দিয়েছি তা হল “bangla”.
  • মনে রাখবেন, প্রোফাইল নেম দিয়ে দেওয়া আপনার profile name-টি আপনার ব্লগে পাবলিশ করা আর্টিকেল গুলোর সাথে তা কিন্তু দেখানো হবে।
  • বন্ধুরা, মানে এই profile name-এর সাথেই আপনার (blogger) ব্লগার ব্লগে আর্টিকেল গুলি publish বা প্রচার করা হবে।

তাহলে আপনাকে অবশ্যই ভালো একটি নাম সিলেক্ট করে দিতে হবে এখন একটি ভালো profile name দিন এবং নিচে “Continue to blogger” button-এ ক্লিক করবেন।

স্টেপ ৩. Blogger dashboard থেকে ব্লগ বানান:

এখন আপনি তা পরের পেজে আপনি আপনার নিজের ব্লগার dashboard দেখবেন।

আপনার ব্লগার একাউন্টে যেহেতু আগের থেকে বানানো একটি (blog) ব্লগ ও নেই তাই নিচে “create new blog” বলে একটি button বা লিংক আপনাকে দেখানো হবে।

create new blog

আমাদের দেওয়া ওপরে ছবিতে দেখানোর মতো আপনি আপনার “create new blog” লিংকটি দেখবেন, যেখানে আপনাকে অবশ্যই ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ ৪. নতুন ব্লগের তথ্য:

বন্ধুরা, এখন আপনি আপনার নিজের কম্পিউটার স্ক্রিনে কিছু option গুলো তা আপনি ভালোভাবে দেখতে পাবেন যেমন “title”, “address”, “theme”.

Blogger

Blogger-এ ব্লগ তৈরি করার সময় অবশ্যই আপনাকে আগে আপনার এই ৩ টি option ভালো করে তা আপনাকে ফিলাপ করতে হবে।

  • যেমন দেওয়া আছে Title – এই জায়গায় আপনাকে নিজের ব্লগের বিষয়ে যেকোন এক লাইনে কিছু লিখতে হবে। একে ব্লগের টাইটেল দেখানো বা বলা হয়। আপনাদের সুবিধার জন্য এবং আপনাদের ভালো করে বুঝার জন্য আপনি ওপরে ছবিতে আমি কি টাইটেল লিখেছি সেটা আপনি ভালোভাবে দেখুন।
  • Address – এই ভাগে আপনাকে অবশ্যই নিজের ব্লগার ব্লগের URL address তা ভালোভাবে সেট করতে হবে। আপনি যেকোন একটি URL নাম দিয়ে সেট যেমন তা আপনি করতে পারবেন। যেমন, bangla.blogspot.com

কিন্তু একটা বিষয় ভালো করে আবারো মনে রাখবেন আপনার দেওয়া blog address উপলব্ধ (available) থাকলেহে আপনি সেটা কিন্তু তা ব্যবহার করতে পারবেন।

যেমন, আপনার দিয়ে দেওয়া URL address-টি available থাকে তাহলে, আপনাকে “this blog address is available” বলে লিখে দেখিয়ে দেওয়া লিখে জানিয়ে দেওয়া হবে। নাহলে তখন আপনাকে অবশ্যই, অন্য একটি address তা কিন্তু দিতে হবে।

তবে, আপনি ব্লগ তৈরি করার পর অবশই নিজের ব্লগের জন্য একটি .net, .in, .com বা .info, xyz র মতো top level domain গুলো তা আপনি সেট (set) করতে পারবেন।

  • Theme – এখন আপনি theme বলে একটি option দেখবেন যেখানে আপনি অনেক রকমের ওয়েবসাইট থিম গুলো দেখবেন। থিম (theme) মানে হলো আগের থেকে তৈরি ব্লগের ডিজাইন। আপনি নিজের ব্লগের জন্য যেমন theme সিলেক্ট করবেন আপনার ব্লগটির ডিজাইন সেই হিসেবে সেট হবে।

তখন আপনাকে সরাসরি দেখিয়ে দেওয়া থিম গুলোর মধ্যে থেকে যেকোনো আপনার নিজের পছন্দ মতো একটি থিম থেকে যেকোনো একটি সিলেক্ট করে নিতে হবে।

দেখা যায় অনেক সময় এমনিতে, ব্লগ তৈরি করার পরও কিন্তু আপনি এই থিম গুলো অবশ্যই পরিবর্তন করতে পারবেন। এর জন্য কিন্তু আপনারা উপযুক্ত অপসন গুলো পাবেন।

  • বন্ধুরা আপনি এখন সবকিছু করার পর নিচে ডানদিকে থাকা “create blog” অপশনে অবশ্যই অবশ্যই ক্লিক করে দিবেন।

স্টেপ ৫. SKIP Google domain অপসন:

আপনি এখন এর পরের পেজে আপনি একটি option বা box দেখবেন যেখানে “Google domain” লেখা থাকবে।

top level domain

বন্ধুরা, এখন আপনি আপনার ব্লগের জন্য find a domain বাক্সে top level domain যেমন .in, .com, info, .net,.xyz বা org ইত্যাদি domain সার্চ করে register করতে পারবেন।

তবে একটা কথা ভালোভাবে মনে রাখবেন এতে করে আপনার কিছু টাকা domain কিনার জন্য অবশ্যই টাকা খরচ হতে পারে।

তবে এটা কিন্তু আপনার নিজের ব্যক্তিগত এবং সম্পূর্ণভাবে আপনার চয়েস এর উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি চান, তাহলে আপনার নিজের ব্লগের জন্য কিন্তু তা আপনি top level domain এখান থেকে রেজিস্টার অবশ্যই অবশ্যই করতে পারবেন।

যদি আপনি কোন ধরনের ডোমেইন রেজিস্টার করতে চাননা বা পরে আপনি যখন টাকা খরচ করে ডোমেইন কিনবেন বলে ভাবছেন, তাহলে “No thanks” লিংকে ক্লিক করুন।

অবশ্যই মনে রাখবেন যে, একটি top level domain কিনে blogger ব্লগে ব্যবহার করাটা বাধ্যতামূলক বা জরুরি কোন বিষয় নয়।

আপনি যদি চান, তাহলে আপনি ব্লগারের ফ্রি blog URL address নিজের ব্লগে ব্যবহার করতে পারবেন।

তাহলে এখন আপনি সরাসরি “No thanks” লিংকে অবশ্যই ক্লিক করবেন।

স্টেপ ৬. আপনার ব্লগ তৈরী হয়ে গেছে:

ওপরে দেওয়া ছবিতে no thanks লিংকে ক্লিক করার পর আপনার blogger এ ব্লগ তৈরির প্রক্রিয়া বিষয়গুলো সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।

বন্ধুরা এখন আপনি সরাসরি আপনার নিজের Blogger Blog-এর Dashboard-টি দেখতে পাবেন। আর এখান থেকেই আপনি আপনার নিজের ব্লগের জন্য আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারবেন।

Blogger Dashboard

ব্লগারের Dashboard থেকে আপনি আপনার নিজের ব্লগের address-এ গিয়ে ব্লগের design বা live view গুলো আপনি ভালোভাবে দেখতে পারবেন। কিন্তু এর জন্য আপনাকে “View blog” এর লিংকে অবশ্যই অবশ্যই click করতে হবে।

এর বাইরেও আপনি আপনার নিজের dashboard থেকে new post এ গিয়ে কিন্তু আপনি  নতুন নতুন article গুলো ভালোভাবে লিখতে পারবেন বা সেটা publish করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে, theme অপশনে গিয়ে আপনার তৈরি করা নতুন ব্লগের এর জন্য থিম সেট করতে পারবেন।

আপনার নিজের ব্লগার ব্লগ থেকে যখন ইউনিট আর্টিকেল ৩০ থেকে ৪০ টা লিখবেন তখন আপনি Google AdSense এর জন্য apply করে টাকা আয় করার জন্য “Earnings” বাটনে অবশ্যই click করতে হবে।

blogger dashboard

যদি আপনাদের ঘুরিয়ে পিছিয়ে না বলি তাহলে সোজাসুজি ভাবে বলতে গেলে আপনি আপনার নিজের blogger dashboard থেকে ব্লগের সাথে জড়িত প্রত্যেকটি অপসন গুলি তা আপনি ভালোভাবে পেয়ে যাবেন।

আপনার ব্লগটি তৈরি করার পর ব্লগের অপসন গুলিতে গিয়ে ভালো করে তা বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখে নিন, যদি আপনি ভালোভাবে দেখে থাকেন তাহলে এমনিতেই বিষয় গুলো বুঝে যাবেন।

স্টেপ ৭. তৈরি করা নিজের নতুন ব্লগে ভিজিট করুন:

বন্ধুরা, আপনার বানানো blogger.com এ গিয়ে ব্লগটিকে দেখতে হলে আপনি নিজের blogger dashboard থেকে ওপরে বামদিকে থাকা “view blog” অপসন অবশ্যই তা ক্লিক করুন।

এতে করে আপনি আপনার বানানো ব্লগটিতে প্রবেশ করে সকল ফিউচার গুলো সেটিকে দেখে নিতে পারবেন।

আপনি যদি আপনার ব্লগে সরাসরি নিজের ব্লগে ভিসিট করতে চান বা অন্য কেও যদি আপনার ওয়েবসাইটে সরাসরি প্রবেশ করতে চায়, তাহলে আপনার সেই ব্লগের URL address যেটা আপনি আপনার ব্লগ সাইট বানানোর সময় দিয়েছিলেন সেটা ইন্টারনেটে গিয়ে যদি আপনি সার্চ করেন তাহলে আপনি আপনার ব্লগটি খুঁজে পেয়ে যাবেন।

ব্লগ তৈরির জন্য WordPress ভালো না Blogger ?

প্রিয় বন্ধুরা, যেমন, আমি গত 5 বছর ধরেই ব্লগিং এই পেশায় যুক্ত আছি এবং আমাকে এই প্রশ্নটি অনেকেই জিজ্ঞেস করলে আমার উত্তর হবে “WordPress”।

কারণ এই ব্লগিং এর সাথে যুক্ত থেকে আজ ব্লগিং সম্পূর্ণ ভাবে একটি professional business হয়ে গিয়েছে এবং তাই আপনাকেও আমার মত করে সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ভাবে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে হবে।

তবে, ব্লগ সাইট তৈরি করার সময় এক্ষেত্রে Blogger একটি খারাপ প্লাটফর্ম তা কিন্তু কখনোই না। বর্তমান পৃথিবীজুড়ে এখন প্রায় হাজার হাজার ব্যক্তিরা বর্তমানেও blogger-এর মাধ্যমে কিন্তু এই blog তৈরি করছেন।

প্রিয় বন্ধুরা, কেন আমি WordPress-কে blogger-থেকে অনেক সুবিধাজনক ও ভালো blog তৈরির platform হিসেবে বিবেচিত করছি তা আপনাদের নিচে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিচ্ছি এবং বলে দিচ্ছি?

WordPress-এর কিছু লাভ ও সুবিধা:

১. বন্ধুরা, আপনি যখন কোন WordPress দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে আপনার বানানো ব্লগ গুলোতে নিজের মতো করে optimization করা সম্ভব হবে।

২. এসইও অপটিমাইজেশন (SEO optimization)-এর ক্ষেত্রে Yoast এবং Rank Math-এর মতো উন্নত plugin গুলো তা আপনি ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

৩. থিম (Theme) এবং CSS এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রফেশনাল লুকিং ব্লগ সাইট অবশ্যই তৈরি করা সম্ভব।

৪. আপনার ব্লগ সাইটের লোডিং স্পিড আরও বেশি উন্নত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন cache plugin গুলো রয়েছে সেগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।

৫. অতি সহজেই আপনি একটি সম্পূর্ণ responsive এবং mobile friendly ব্লগ সাইট তৈরি করা সম্ভব হবে।

৬. আপনার নিজের পছন্দ মতো ওয়েব হোস্টিং সার্ভার এর মধ্যে আপনার নিজের ব্লগ সাইটটি হোস্ট করতে পারবেন।

৭. আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট তৈরি করেন তাহলে আপনার ব্লগ সাইট এর ১০০% মালিক কেবল আপনি হবেন। ব্লগ সাইটের সাথে জড়িত অধিকার গুলো কেবল আপনার কাছেই তা থাকছে।

৮. ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে উন্নত theme এবং plugin গুলোর সাহায্যে e-commerce থেকে শুরু করে, আপনি যেকোনো ধরণের সাইট তৈরি করা সম্ভব হয়।

প্রিয় বন্ধুরা আপনি যদি দেখেন যে, যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ সাইট তৈর করার জন্য আপনার হাতে একেবারেই টাকা পয়সা বা ডলার নেই (যদিও এর জন্য সামান্য কিছু অর্থের প্রয়োজন) তাহলে আপনার প্রথম বিষয়টি হবে Blogger ব্যবহার করে একটি ব্লগ সাইট অবশই তৈরি করা।

যখন আপনার ব্লগে ধীরে ধীরে traffic দিন দিন বৃদ্ধি পাবে, সেই হিসেবে তখন আপনি ভবিষ্যতে blogger থেকে WordPress-এ ব্লগটি ট্রান্সফার অবশ্যই ভালোভাবে করে নিতে পারবেন।

FAQ: ব্লগ সাইট খোলার নিয়ে কিছু প্রশ্ন:

প্রশ্ন: ফ্রীতে ব্লগ তৈরির সেরা নিয়ম কি?

উত্তর: প্রিয় বন্ধুরা আপনি যদি একদম বিনামূল্য সম্পূর্ণ ফ্রীতে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি Blogger.com-এ গিয়ে নিজের Gmail/Google আইডি দিয়ে লগইন করে সুন্দরভাবে একটি ব্লগার একাউন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন। ব্লগ সাইট তৈরি করার পর পর আপনার নিজের ব্লগার ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার প্রয়োজন মতো একাধিক blog site গুলো বানিয়ে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন: ব্লগার একাউন্ট কিভাবে খুলব ?

উত্তর: ব্লগার একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে Blogger.com এর সাইটে গিয়ে নিজের Google ID এবং password দিয়ে login করতে হবে। আপনাকে আলাদা আলাদা ভাবে কোন রকমের ব্লগার একাউন্ট রেজিস্টার করতে হবেনা।

প্রশ্ন: Blogger দিয়ে কি মোবাইলে ব্লগ তৈরি করা যাবে ?

উত্তর: blogger.com এ গিয়ে মোবাইলে ব্লগার সাইট অবশই বানাতে পারবেন, মোবাইলের জন্য Blogger এর একটি সফটওয়্যার বা App রয়েছে যেটা ব্যবহার করে আপনি অনেক ধরনের সুবিধাজনক ভাবে মোবাইলে ব্লগ তৈরি করা এবং পরিচালনা করা সম্ভব হবে। Download Blogger App

প্রশ্ন: একটি ফ্রি ব্লগ থেকে আয় করা কি সম্ভব ?

উত্তর: একটি ফ্রি ব্লগ থেকে ইনকাম করা অবশই সম্ভব, এরকম অনেকেই রয়েছেন যারা ফ্রিতে একটি ব্লগ তৈরি করে গুগল এডসেন্স একাউন্ট যোগ করে, এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি আরো বিভিন্ন মাধ্যমে অনলাইন থেকে ইনকাম করছে।

শেষ কথা,

প্রিয় বন্ধুরা আপনি বুঝতে পারলেন যে, blogger দিয়ে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম কতটা সোজা ও সহজ বিষয়। বিশেষ করে আপনি যখন এমনিতে কোন ব্লগারে ব্লগ সাইট বানানোর পর কি করতে হবে, তা ব্লগের  setting কিভাবে করবেন বা ব্লগ ডিজাইন কিভাবে করবেন।

এই বিষয় গুলো নিয়ে আমি আপনাদের জন্য আরো আরেকটি নতুন আর্টিকেল লিখে আপনাদের ব্লগারের প্রত্যেকটি সেটিং বিষয়গুলো স্টেপ বুঝিয়ে বলব।

বন্ধুরা, নতুন অবস্থায় এখন আপনারা প্রথমে ওপরে বলা ধাপ গুলো যদি ভালোভাবে অনুসরণ করেন তাহলে সেই অনুসরণ করে ব্লগারে একটি ব্লগ বানিয়ে নিন।

blogger.com এ গিয়ে ব্লগ সাইট তৈরি করতে আপনার যদি কোনো রকমের অসুবিধা অনুভব হয়, তাহলে কিন্তু অবশ্যই অবশ্যই আমাকে নিচে comment বক্সে অবশই কমেন্ট করে জানাবেন।

আপনি যদি ব্লগার সাইট তৈরি করেন তাহলে আমি অবশই আপনাকে সাহায্য করব।

প্রিয় বন্ধুরা, আমি আশাকরি, ব্লগারে ফ্রি ব্লগ কিভাবে তৈরি করবেন এর বিষয়ে আমি আপনাদের ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে পেরেছি।

Leave a Comment