জেনেনিন ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করতে হয়।

প্রিয় পাঠক, আজ আপনাদের মাঝে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি সে বিষয়টি হচ্ছে, ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করতে হয়। কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন, এখনকার সময়ে এই প্রশ্ন আপনাদের সবার মনেই হয়তো রয়েছে।

এখন বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট জগতে ইন্টারনেট হলো জ্ঞান এবং তথ্যের ভান্ডার, আর এইসব ইন্টারনেট থেকে সকল তথ্য বা জ্ঞান গুলো আমরা পেয়ে থাকি। শুধুমাত্র ইন্টারনেট থেকে যেকোনো বিষয়ে সার্চ করে বিভিন্ন ধরণের অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে।

এখন বর্তমান ইন্টারনেট জগতে ইন্টারনেটে উপলব্ধ প্রত্যেক তথ্যের (information) এর মূল উৎস হলো, “website“.

তবে এখন অনেকেই ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করে বর্তমান সময়ে একটি ওয়েবসাইট বিভিন্ন কারণে তৈরি করে থাকে।

কেউ নিজের অভিজ্ঞতা কে সবার কাছে উপস্থাপন করে আবার কেও হয়তো অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উদ্দেশ্যে করে ওয়েবসাইট তৈরি করে, আবার অনেকেই দেখা যায় নিজের ব্যবসার প্রচারের উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইট তৈরি করে। আবার কিছু কিছু লোক দেখা যায় কোনো স্বার্থ ছাড়া কেবল মাত্র আনন্দের জন্যে website তৈরি করতে চাইছেন।

How to create a professional website in Bengali
How to create a professional website in Bengali

তাই, প্রত্যেকের কারণেই website তৈরীর কারণ আলাদা আলাদা বিষয় হতে পারে, তবে website তৈরীর নিয়ম কিন্তু সবগুলো প্রায় একি ধরণের।

যদিও আপনি জানতে চাইছেন যে, কিভাবে website তৈরি করতে হয় বা একটি website বানাতে কি কি করতে হয় ?

তাহলে আপনি মনে রাখবেন এর উত্তর এতটা সোজা কিন্তু আবার না।How to create a professional website in Bengali

কারণ, website তৈরি করতে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের আলাদা আলাদা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে কাজ গুলো করতে হবে।

তবে আপনাকে বেশি চিন্তা করতে হবেনা, আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে কিভাবে আপনি প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া বা নিয়ম গুলো কি কি তা সঠিক ভাবে জেনেনিবেন।

ইন্টারনেট ইউজার হিসেবে আপনিও প্রচুর আলাদা আলাদা রকমের ওয়েবসাইট অবশই দেখেছেন হয়তো।

তবে এই website গুলো কিভাবে বানানো হয়েছে, এই বিষয়ে আপনি অবশই অবশ্যই জানতে চাইছেন হয়তো ?

ওয়েবসাইট কিভাবে বানাতে হয় বা website তৈরি করার নিয়ম এর সাথে সাথে আমরা শুরুতে জেনেনিব আসলে এই “ওয়েবসাইট কি” ?

ওয়েবসাইট কি ?

এমনিতে website কি, এই বিষয়ে আমরা আগেই বিস্তারিত ভালোভাবে আলোচনা করেছি।

সোজা এবং সরল ভাবে বলতে গেলে website হলো একাধিক ওয়েবপেজ (web-pages) গুলোর একটি তালিকা বা তথ্য সংগ্রহ।

এই ওয়েব পেজ (web-page) গুলোকে কেবল আপনি অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই ভালোভাবে অ্যাক্সেস (access) করতে পারবেন।

তাই, সোজাসুজি এবং সরল ভাবে বলতে গেলে, একাধিক ওয়েব পেজ এর একসাথে মিশ্রণ বা জমা হয়ে তৈরি হয় একটি website

একটি website এর মধ্যে প্রবেশ করার আগে আপনাকে সেই website এর নাম বা ডোমেইন নাম আগে জানতে হবে।

website এর ডোমেইন নাম আবার ওয়েব অ্যাড্রেস নামেও পরিচিত।

একটি website এর মধ্যে বিভিন্ন আলাদা আলাদা অনেক ধরণের কনটেন্ট (content) গুলো থাকতে পারে।

যেমন, text, color, graphics, animation, video, sound ইত্যাদি আরো বিষয়।

যখন আপনাকে কেউ কোনো website এর নাম বা web address (ওয়েব অ্যাড্রেস) দিয়ে থাকে, তখন মূলত সেটা সেই website হোম পেজ (home page) হয়ে থাকে।

এখন, একটি ওয়েবসাইট এর হোম পেজ থেকে আপনি চাইলে websiteএর আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি বা বিভাগ গুলোতে প্রবেশ করতে আলাদা আলাদা ভাবে কনটেন্ট গুলো সঠিক ভাবে পড়তে পারবেন।

একটি ওয়েবসাইট এর মধ্যে একটি বা একাধিক পেজ থাকতে পারে।

তবে এটা আপনার ওপর বা যে website তৈরি করছে তার ওপর নির্ভর করবে, যে সে কি ধরণের ও কেমন ধরনের কনটেন্ট তার ওয়েবসাইটে রাখছে।

এখন বর্তমান সময়ে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে, সেগুলো ওয়েবসাইটে কেবল একটি মাত্র পেজ (home page) থাকে।

ওয়েবসাইটের চাহিদা এতটা বেশি কেন ?

এখন বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে অনেক লোকেরা অনলাইনে মূলত দুটো বা তিনটি কারণেই website গুলোতে ভিজিট করে থাকেন।

১। নতুন তথ্য জানার জন্য

আমাদের এখন যেকোনো বিষয়ের উপর তথ্য জানার দরকার বা প্রয়োজন হয়ে থাকলে আমরারকি করি সরাসরি ইন্টারনেটে গিয়ে Google বা অন্যান্য search engine গুলোতে সেই প্রয়োজনীয় জিনিসটা সার্চ দিয়ে থাকি।

আর, search engine গুলো আমাদের সেই খোজ করা জিনিস গুলো তথ্য গুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলোর মাধ্যমে আমাদের সামনে এনে রেখে দেয়।

যেমন, হতে পারে আপনি একজন স্কুল বা কলেজের ছাত্র এবং আপনি কোনো প্রজেক্ট বা পড়াশোনার সাথে জড়িত তথ্য খুঁজছেন।

এছাড়া, আরোও হতে পারে, আপনি আপনার নিজের দেশের বা বিশ্বজুড়ে ঘটে চলা সকল নিউজ খবর গুলো জেনেনিতে চাইছেন।

বা, আপনার নিজের সাধারণ জ্ঞান বাড়ানোর জন্যে বিভিন্ন আপনি বিষয়ে জেনেনিতে চাইছেন।

যেমন, বিজ্ঞান, পড়াশোনা, গবেষণা, সাধারণ জ্ঞান, খবর অন্যান্য ইত্যাদি যেকোনো বিষয়ে তথ্য গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আপনার এই ওয়েবসাইট গুলো কাজে এসে থাকে।

২। অনলাইন শপিং | Online shopping

এখন বর্তমান ইন্টারনেট হাতের মুঠোয় আশায় আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে আমরা যেকোনো জিনিস কেনার জন্যে অনলাইনে বিভিন্ন অনলাইন শপিং website গুলো ভিসিট করে থাকি।

সেটা মোবাইলের বেক কাবার থেকে শুরু করে, কাপড় জামা, মোবাইল বা ল্যাপটপ কেনা এবং যেকোনো জিনিসই হতে পারে, এখন বর্তমান সময়ে প্রায় প্রত্যেক জিনিস আমরা অনলাইন থেকে অর্ডার করে থাকি।

দেখা যায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনলাইন শপিং website গুলো এমনিতে কোন প্রকার বা কোনো ধরণের তথ্য প্রদান করে থাকেনা।

সেই ওয়েবসাইট থেকে আপনারা তাদের পণ্য বা সেবা গুলোর ছবি এবং সেই পণ্যের সাথে জড়িত আরো তথ্য গুলো ভালোভাবে দেখে থাকেন।

তবে যাই হোক না কেন, এখন বর্তমান সময়ে অনলাইন শপিং website (e-commerce website) গুলো এখনকার সময়ে অনেক বেশি অনলাইনে কেনাকাটা করার জন্যে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

৩। File Download

এখন বর্তমান সময়ে আমরা বিভিন্ন website গুলোতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরণের File গুলো ডাউনলোড করে থাকি।

যেমন, মুভি বা সিনেমা, গেমস, সফটওয়্যার বা অ্যাপস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট গুলো নিয়মিত ভাবে Download করা হয় এই website গুলোর দ্বারা।

এছাড়া, আমরা আরো অনেক প্রচুর কাজে ইন্টারনেটে গিয়ে বিভিন্ন ধরণের website গুলো ভিজিট করে থাকি।

৪। Blog ওয়েবসাইট

একটি blog সাইট (ব্লগ) অবশই এক ধরণের ওয়েবসাইট যেখানে আমরা মূলত text, video এবং অডিও কনটেন্ট গুলো পেয়ে থাকি।

এখন আপনি আমার এই আর্টিকেলটি পড়ছেন, এটাও কিন্তু একটি blog ওয়েবসাইট।

আমার এই blog এর দ্বারা আপনারা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে (ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করতে হয়) টেক্সট আর্টিকেলের দ্বারা তথ্য গ্রহণ করতে পারছেন।

তাহলে, আমরা আপনাদেরকে এটাই বুঝতে পারি যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি website এ প্রবেশ করার আরো বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

চলুন, তাহলে আমরা এখন সরাসরি জেনেনেই, আমরা কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করব ?

একটি ওয়েবসাইট কিভাবে বানাতে হয় – (সম্পূর্ণ স্টেপ বাই স্টেপ)

যা আমি আপনাদেরকে ওপরে আগেই বলেছি, website বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

তাই, আপনি কি ধরণের website তৈরি করতে চাইছেন আপনাকে সেটা আগেই নিশ্চিত করতে হবে।

যেমন,

  1. নিউজ ওয়েবসাইট (News website)
  2. অনলাইন স্টোর ওয়েবসাইট (Online store website)
  3. বিজনেস ওয়েবসাইট (Business websites)
  4. পার্সোনাল ওয়েবসাইট (Personal website (Blog)
  5. পোর্টফোলিও  (Portfolio)
  6. কোম্পানি পেজ (Company page)
  7. সামাজিক সাইট (Social sites)

আজ থেকে থেকে ১৫-১৬ বছর আগে একটি website বানানো অনেক ব্যাপার ছিল, বললে ভুল হবেনা কারণ।

দেখা গিয়েছিল আগেকার সময়ে coding language জানা না থাকলে website বানানো প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার ছিল।

তবে, এখনকার সময়ে website বানানোটা প্রায় একটা ছোট বাচ্চাদের খেলার মতোই হয়ে গিয়েছে।

এখন বর্তমান সময়ে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনাকে coding language জানার কোনো প্রয়োজন হয়না।

কারণ, এখন আমরা অনেক ধরনের বিভিন্ন  CMS (content management system) software গুলো ব্যবহার করে যেকোনো ধরণের ভালো মানে website বানিয়ে নিতে পারছি।

আর এই CMS software গুলোর মধ্যে সব থেকে ভালো এবং জনপ্রিয় সফটওয়্যারটি হলো, “ওয়ার্ডপ্রেস“.

এর মাধ্যমে আলাদা আলাদা রকমের ওয়েবসাইট গুলো আপনি তৈরি করা ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানানোর নিয়ম গুলো

একটা বিষয় ভালোভাবে মনে রাখবেন website বানানোর জন্য অনেক আলাদা আলাদা প্রক্রিয়া রয়েছে।

এখানে আমরা সব থেকে ভালো ও জনপ্রিয় এবং সহজ উপায় এর বিষয়ে আপনাদের বলতে চলেছি।

চলুন, এবার আমরা সরাসরি জেনেনেই একটি website তৈরি করার সময় প্রথম আপনাকে কোন কোন ধাপ গুলোকে আগে অনুসরণ করতে হবে।

Domain Name

সবার আগে আপনাকে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নেম বা (website address) ডোমেইন নেম কিনতে হবে।

যেমন, আমরা আমাদের website এ প্রবেশ করার জন্যে “Dailytk.com” এই ডোমেইন নামটি ব্যবহার করছি।

ঠিক সেভাবেই কিন্তু আপনাকেও নিজের website এর জন্যে একটি ডোমেইন নাম সিলেক্ট করতে হবে।

ডোমেইন হলো আপনার website এর ঠিকানা বা (address).

কোনো user যখন আপনার domain নাম লিখে ইন্টারনেটে সার্চ দিবে, তখন সে আপনার website দেখতে পাবে।

আপনাকে এমন একটি ডোমেইন এর বাছাই করতে হবে, যা আপনার ওয়েবসাইটে থাকা কনটেন্ট এর সাথে মিল থাকে।

যেমন আপনাকে আরো একটু ক্লিয়ার করে দিচ্ছি: যদি আপনি জবস বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে, জবস নাম দিয়ে ডোমেইন নিবেন govtjobs.com, govtjobs.info, govtjobs.net ইত্যাদি।

যদি টেকনোলজি বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে, Techbangla.com, Techbangla.info, Techbangla.net ইত্যাদি। জবস এন্ড টেকনোলজি ছাড়া আরও আপনি যে ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করতে চান সেই ক্যাটাগরি অনুযায়ী ডোমেইন নিবেন।

উদাহরণ: কিছু সেরা common top-level domains গুলোর মধ্যে কিছু হলো, .com, .xyz .edu, .org, .info এবং .net.

ওপরে উল্লেখ করা ডোমেইন গুলোর সাথে আপনি যে ক্যাটাগরি নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই ক্যাটাগরি অনুযায়ী যেকোন একটি নাম যুক্ত করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে একটি ডোমেইন নেম বা website address এর বাছাই করতে পারবেন।

আপনি যখন ডোমেইন নেম কিনবেন, আপনি এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে কিনবে, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভালো ওয়েবসাইট হল এই দুইটি, Namecheap এবং Godaddy-এর মতো জনপ্রিয় website গুলো থেকে আপনারা অনেক কম টাকায় একটি domain নাম কিনে নিতে পারবেন।

ওয়েব হোস্টিং

আপনাকে এখন কিনতে হবে নিজের website এর জন্যে একটি ওয়েব Hosting স্পেস।

ইন্টারনেটে একটি website চালু করার জন্যে আপনার প্রয়োজন হবে স্টোরেজ স্পেসের।

এই website স্টোরেজ স্পেস এর মধ্যেই থাকবে আপনার website এর সাথে জড়িত সমস্ত files, content এবং information.

সোজা সাজি ভাবে বলতে গেলে অনলাইনে আপনার website এর ফাইল গুলো হোস্ট করার জন্যে একটি সার্ভার এর প্রয়োজন।

এবং আপনি Hosting কেনার মাধ্যমে আপনি নিজের website এর জন্যে একটি সার্ভার এর মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছেন।

তাই, আপনি যখন ডোমেইন নেম কিনার পর এবার আপনাদের কিনে নিতে হবে ওয়েব হোস্টিং।

হোস্টিং কেনার জন্যে আপনি Google এর মধ্যে সার্চ দিয়ে দেখলেই বিভিন্ন ধরনের Hosting কোম্পনি গুলো দেখতে পাবেন।

যেমন আপনারা দেখতে পাবেন, hostinger, namecheap, godaddy, bluehost বা অন্যান্য Hosting কোম্পানি থেকে অনেক কমেই Hosting কিনে নিতে পারবেন।

Domain এর সাথে হোস্টিং সংযুক্ত

ভালোভাবে দেখুন, আপনি যে ডোমেইন নেমটি কিনেছেন সেটা যাতে আপনার Hosting একাউন্ট টিকে পয়েন্ট করে সেটা মনে রাখতে হবে।

কারণ, আপনার website এর ফাইল গুলো আপনার Hosting একাউন্ট এর সার্ভার এর মধ্যে হোস্ট করা থাকছে।

তাই, যখনি কেউ আপনার Domain Name বা ঠিকানা (website address) লিখে সার্চ করে থাকে,

তখন কিন্তু, Domain আপনার Hosting সার্ভার এর দিকে পয়েন্ট করতে হবে।

এতে, ইউসার আপনার website টি সরাসরি খুঁজে পাবে এবং website এর ফাইল গুলো অ্যাক্সেস করার সুযোগ পাবে।

ডোমেইন এবং হোস্টিং সার্ভার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করাটা অনেকটাই সোজা।

Step 1

আপনি যেই হোস্টিং কোম্পানি থেকে আপনি web hosting কিনেছেন সেখান থেকে আপনার Nameserver address গুলো সংগ্রহ করুন।

আপনি google এ সার্চ দিলেই nameserver details পেয়ে যাবেন।

বা, web Hosting কোম্পানির সাপোর্ট টীম এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেও আপনি এই তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

উদাহরণ স্বরূপ বলি, bluehost hosting এর nameserver গুলো হলো – ns1.bluehost.com এবং ns2.bluehost.com.

ঠিক এভাবেই, আপনি আপনার web Hosting কোম্পানির nameserver গুলো ভালোভাবে সংগ্রহ করুন।

Step 2

এবার সব শেষে, নিজের domain account dashboard (যেখান থেকে ডোমেইন আপনি কিনেছেন) এর মধ্যে লগইন করুন।

আপনি Manage DNS বা Domain settings এই ধরণের setting গুলোতে ভিজিট করে দেখুন।

আপনারা Nameserver এর একটি option দেখতে পাবেন।

Nameserver এর মধ্যে custom select করুন এবং hosting company/account এর nameserver গুলো একে একে ভালো ভাবে দিয়ে দিন।

শেষে save বাটনে ক্লিক করুন।

DNS (domain name server) এমনিতে update হতে প্রায় ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা সময় নিয়ে থাকে।

তবে, অনেক সময় দেখা যায় ৭ থেকে ৮ ঘন্টার মধ্যই আপনার nameserver update হয়ে যায় এবং আপনার ডোমেইন আপনার hosting server-কে point করতে শুরু করবে।

আপনি যেকোনো নিউ টেপ বা অন্য ওয়েব ব্রাউজার এর মধ্যে নিজের ডোমেইন নেমটি টাইপ করে একটার প্রেস করে দেখবেন বুঝতে পারবেন।

এবার আপনার ডোমেইন (domain) এবং hosting server পরস্পরে সাথে সংযুক্ত হয়ে গিয়েছে।

এখন আপনি নিজের সার্ভার এর মধ্যে CMS (WordPress) ইনস্টল করে একটি website তৈরি ও ভালোভাবে ডিজাইন করতে পারবেন।

WordPress ইনস্টল করুন

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ইন্সটল করবেন সেটি আপনাকে step-by-step দেখিয়ে দিচ্ছি আপনি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন।

আপনি যেখান থেকেই বা Hosting কিনেছেন,Hosting কেনার পর আপনাদের ইমেইল আইডিতে cPanel URL এবং অন্যান্য login details তারা আপনাকে পাঠিয়ে দেবে। যেমন, login username এবং password.

যদি cPanel login details আপনারা পাননি, তাহলে অবশই web hosting কোম্পানির support team এর সাথে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন।

মনে রাখবেন, অনেক web hosting কোম্পানির Dashboard থেকেও সরাসরি cPanel-এ প্রবেশ করার লিংক দেওয়া থাকে।

এমন হলে, আপনি সরাসরি login cPanel এর link এর মধ্যে ক্রিক করে cPanel-এ প্রবেশ করতে পারবেন।

১. cPanel এর মধ্যে প্রবেশ করার পর আপনি Softaculous app installer নামের একটি অপশন দেখতে পাবেন।

Softaculous এর নিচেই আপনারা WordPress icon দেখতে পাবেন।

এবার, সোজা সেই WordPress এর logo-তে ক্লিক করুন।

২. ক্লিক করার পর আপনারা ওয়াডপ্রেস এর latest version-টি দেখতে পাবেন। নিচে install এর option দেখতে পাবেন, সেখানে ক্লিক করুন।

৩. এবার একটি নতুন পাতা বা (page) খুলবে যেখানে আপনাকে নিজের website এর সাথে জড়িত কিছু তথ্য জমা করতে হবে। মনে রাখবেন দিয়ে দেওয়া প্রত্যেকটি তথ্য আপনাকে কিন্তু ভালো করে মনে রাখতে হবে। যদি মনে রাখতে না পারেন তাহলে নোটপ্যাড বা যেকোনো জায়গায় সেভ করে রেখে দিবেন।

৪. Choose protocol: Protocol এর option থেকে আপনাকে https:// সিলেক্ট করতে হবে।

৫. ডোমেইন নেম: Hosting কেনার আগেই আপনি domain name কিনেছিলেন, সেই domain name টি এখানে সঠিক ভাবে দিয়ে দিন।

৬. In Directory: এই ভাগে আপনাকে কিছু দিতে হবেনা, এটা খালি ছেড়েদিন।

৭. সাইট নেম: এখানে আপনাকে আপনার website এর নাম দিতে হবে। আপনি আপনার domain name দিতে পারেন। যেমন, dailytk বা dailytk.com

৮. Site description: এখানে আপনাকে নিজের website এর বিষয়ে সংক্ষেপে কিছু লিখতে হবে।

৯. Admin user name: এখানে আপনাকে একটি login username দিতে হবে। মনে রাখবেন, নিজের WordPress ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড এর মধ্যে লগইন করার জন্যে এই username ব্যবহার করতে হবে।

আপনি এখানে আপনার website এর নাম দিতে পারেন।

১০. এডমিট পাসওয়ার্ড: এখানে আপনাকে একটি নতুন password দিতে হবে। এই পাসওয়ার্ড টি আপনি ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড এর মধ্যে লগইন করার জন্যে ব্যবহার করবেন।

১১. Admin email: এখানে আপনাকে আপনার নিজস্ব নিজের একটি email id দিয়ে দিতে হবে।

১২. সর্বশেষে থাকা এবার আপনাকে নিচে থাকা “Install” বাটনে click করতে হবে।

ওয়েবসাইট তৈরির শেষ এবং ফাইনাল স্টেপ

আপনার website এখন তৈরি হতে শুরু করবে এবং website installation process সম্পূর্ণ হতে ৪ থেকে ৫ মিনিটের সময় লাগবে।

Installation প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর, আপনি নিচে ওয়ার্ডপ্রেস এর homepage এর মধ্যে login details গুলো দেখতে পাবেন।

এখানে আপনি আপনার নতুন website এর login URL address এবং ডোমেইন দেখতে পাবেন।

এখন আপনার নতুন করে তৈরি হওয়া website live হয়ে গিয়েছে।

আপনি আপনার ডোমেইন নেম লিখে সার্চ করলে নিজের ওয়েবসাইটটি দেখতে পাবেন।

১৩. দিয়ে দেওয়া WordPress login URL address এর মধ্যে ক্লিক করলে আপনি আপনার website এর login পেজে চলে যাবেন।

১৪. এবার আপনি ওপরে যেই username এবং password দিয়ে ছিলেন সেগুলো আপনি ব্যবহার করে নিজের website এর dashboard (ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড) এর মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন।

১৫. (ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড) WordPress dashboard এর মধ্যে প্রবেশ করে আপনি আপনার website design, edit, content publish ইত্যাদি সব কাজ গুলো ভালোভাবে করতে পারবেন।

একটা বিষয় ভালোভাবে মনে রাখবেন, এখন আপনার website একেবারেই নতুন, তাই এখানে এখন কিছুই থাকবেনা।

আপনাকে theme, plugin ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের আপনার website ডিজাইন করতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কিভাবে design করবেন, কিভাবে content publish করবেন, এগুলো বিষয় আপনারা YouTube এর মাধ্যমে ভিডিও দেখে ভালো হবে শিখে নিতে পারেন।

শেষ কথা,,

তাহলে, আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারলেন ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরী করতে হয় বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরির নিয়ম গুলো জানলেন।

ঠিক এভাবেই, আপনারা যেকোনো ধরণের website অনেক সহজেই কোনো কোডিং এর জ্ঞান ছাড়া ভালোভাবে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন।

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে আপনার মন মত যেকোনো ধরণের website ডিজাইন করতে পারবেন।

আপনি চাইলে একটি ভালো e-commerce website বানিয়ে নিতে পারবেন।

তবে, এর জন্যে আপনাকে অনেক ধরনের বিভিন্ন plugin এবং থিম গুলো ব্যবহার করতে হবে।

Leave a Comment