কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি? 2022 সালে কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি? কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার নিয়ম : গুগল প্রতিনিয়ত আপডেট দিয়ে যাচ্ছে, আর এসইও (SEO) ফিল্ডের লেখাপড়া বেড়ে যাচ্ছে! এই তো কয় মাস আগেই গুগল গত বছরের নিরীক্ষা শেষে একটি লাস্ট কোর আপডেট দিয়েছে।

যদিও এসইও-এর ফিল্ড আরও বিস্তৃত হচ্ছে, নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে, সংযোজন-বিয়োজন ঘটছে- কিন্তু কিছুজিনিস একই থেকে যাচ্ছে। যার মধ্যে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ (Keyword Research) অন্যতম, যার আবেদন আজ পর্যন্ত এতটুকু কমে নি। বরং দিন দিন এর কদর আরও বেড়ে যাচ্ছে।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চের কদর বাড়বেই না বা কেন? ব্লগিং, এফিয়েশন, ইউটিউবিং, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একটা ভাল মানের প্রোফাইল বানানো, ইত্যাদি ঠিক কোথায় এর প্রয়োজন নেই- বলতে পারেন! এসইও তথা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের দুনিয়ায় একে ছাড়া সব যে অচল।

আর আপনি যদি এই দুনিয়ায় পা রেখে কি -ওয়ার্ড রিসার্চ (What is Keyword Research) কি ? কিভাবে কি -ওয়ার্ড রিসার্চ (How to do Keyword Research) করতে হয় ? - এসব নিয়ে না জানেন, তবে শুরুতেই ঝরে পড়বেন।

এসইও এর ফুসফুস হল একটা ভাল কি-ওয়ার্ড। আর গুগলে র্যাংক করতে হলে খুব ভাল করে দেখে শুনে কি-ওয়ার্ড রিসার্চের বিকল্প নেই। তাই এই দুনিয়ায় পা রাখতে হলে, শুরুতেই জানতে হবে কি -ওয়ার্ড কি ? কি -ওয়ার্ড রিসার্চ কি ? কি -ওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ ? র্ণ কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়? ইত্যাদি নিয়ে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সংক্ষিপ্ত আকারে সব জানানোর চেষ্টা করব। তো, চলনু শুরু করা যাক।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি?

আমরা অনলাইনে এসে মূলত যা নিয়ে বা লিখে সার্চ ইঞ্জিন তথা Googlr, Bing, YAHOO, Duck Duck Go, কিংবা ইউটিউব বা অন্য যে কোন ফোরামে সার্চ করি, সেটিই হচ্ছে কি-ওয়ার্ড (Keyword)।

যেমন- এই আর্টিকেলটি আপনি পড়ছেন কি -ওয়ার্ড কি , বা কি -ওয়ার্ড রিসার্চ কি , বা কিভাবে কি -ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয় , কিংবা কি - ওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ, এমন গুগলের সার্চ বক্সে লিখে অথবা ভয়েস সার্চ করে। তারমানে এখানে এগুলোই হচ্ছে কি-ওয়ার্ড।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি? 2022 সালে কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়
কি-ওয়ার্ড রিসার্চ কি? 2022 সালে কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়

একইভাবে ইউটিউবের সার্চ বক্সে গিয়ে এভাবে যা লিখে আমরা সার্চ করি, সেগুলো ইউটিউব ভিত্তিক কি-ওয়ার্ড।

আপ্নারা একটুলক্ষ্য করলে দেখবেন আমরা ফেসবকু (Facebook), টুইটার (Twitter), রেডিট (Reddit), কোরা (Quora), ইত্যাদি প্লাটফর্মে গিয়েও কিন্তু এভাবে সার্চ করি। এই সার্চ করা শব্দ বা শব্দগুলোই আসলে একেকটি কি-ওয়ার্ড।

আমি আমার গত কয়েক বছরের জার্নি তে যে টুকু বঝেুছি , সে টা হল- আসলে কি -ওয়ার্ডে সেভাবে প্রকারভেদ করা ঠিক নয়। এগুলো মলূত করা হয়, বোঝার সুবিধার্থে ।

তাছাড়া লিখতে এমনিতেও আশে পাশের রিলেভেন্ট কি -ওয়ার্ড ঢুকে পড়ে লেখাতে। আর এখনতো কি -ওয়ার্ড স্টাফিং-এর (Keyword Stuffing) দিন শেষ। তবুও বোঝার জন্য আমি কয়ে কটি ভাগে কি -ওয়ার্ডস ভাগ করে ফেলছি ।

কি-ওয়ার্ড নিয়ে যখন আমরা কাজ করি বা ক্লাস্টারিং করি, তখন আমরা অনেক ধরনের কি-ওয়ার্ড দেখতে পাই। কেউ বলে ২/৩ শব্দের বেশি হলে, সেটাকে লং টেইল কি-ওয়ার্ড বলে। আসুন একটা উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি ক্লিয়ার করা যাক।

দেখুন এখানে মলূ বা ফোকাসড কি-ওয়ার্ডের আগে পিছে অন্য শব্দ এসেছে, এবং এটিরও আলাদা সার্চ ভলিউম রয়েছে। এই ধরনের কি-ওয়ার্ড সাধারণত তথ্য ভিত্তিক হয়ে থাকে। এছাড়াও সচরাচর ভাল রিসার্চের মাধ্যমে লো কম্পেটেটিভ কিন্তু বেশ ভাল সার্চ ভলিউমের কি-ওয়ার্ড পাওয়া যায়।

আপনার ওয়েবসাইটটি যদি একদম নতুন হয়, তবে এই ধরনের বড় কি-ওয়ার্ড দিয়ে বেশ সহজেই সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পেজে আসা সম্ভব!

উপরের উদাহরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছে শর্ট টেইল কি-ওয়ার্ড কাকে বলে বা কিভাবে বঝুতে পারব যে এটি একটি শর্ট টেইল কি-ওয়ার্ড। ওই যে যেটাকে আমি মলূ বা ফোকাসড কি-ওয়ার্ড বললাম (সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং), সেই ধরনের ২/৩ শব্দের শব্দগুচ্ছকে Short Tail Keywords হিসেবে সাধারণত চিহ্নিত করা হয়।

আরো পড়ুন..

তাহলে আমরা একটা মেইন কি-ওয়ার্ড ধরে নিয়ে উদাহরণ দিচ্ছি, সেটি হচ্ছে ‘Social Media Marketing’. এখন গুগলে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া লিখে নরমালি সার্চ করলেও দেখবেন ফেসবকু , ইউটিউব, টুইটার, লিনকডইন, কোরা, ইন্সটা, পিনটারেস্ট, রেডিট, ইত্যাদি গুগল নিজে থেকেই সাজেস্ট করবে বা দেখাবে।

কেন? - কারণ এগুলো প্রায় সবই সোশ্যাল মিডিয়ার অন্তর্ভুক্ত। আর সব প্লাটফর্মেইর্মে মার্কেটিং করা হয়। এবং, সবচেয়ে বড় ব্যাপার এগুলো লিখে মানষু সার্চ করে।

তার মানে কি - ওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে আসলে জানা যায় মানুষজন কি কি লিখে সার্চ করছে। এমনকি কোন এলাকা বা জোন থেকে সার্চ করছে, কারা সার্চ করছে- সেটাও জানা সম্ভব।

এই গবেষণার সময় আপনি বেশিরভাগ সময়-ই লো কম্পেটিটিভ কি-ওয়ার্ড বের করতে চাইবেন। তারপর আপনি যেটাকে মূল বা ফোকাসড কি-ওয়ার্ড হিসেবে সিলেক্ট করতে চাচ্ছেন সেটা শর্ট না কি লং টেইল কি -ওয়ার্ড, তার LSI Keywords কি কি হতে পারে- জানতে চাইবেন।

আরও খুজতে চাইবেন এটির সার্চ ভলিউম (SV) কত, কি -ওয়ার্ড ডিফিকাল্টি (KD) কেমন, ইত্যাদি এসব-ও জানতে চাইবেন।

কি -ওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ? Importance of Keyword Research

On Page SEO এর মলূ কেন্দ্রবিন্দুহচ্ছে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ। আপনি ব্লগিং (Blogging) করবেন বা একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে তাতে ভিজিটর আনবেন- এগুলোর প্রথম শর্তই হচ্ছে খুব ভাল মানের কি - ওয়ার্ড রিসার্চ করা।

তবে এবার নিজেই ভাবনু কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু,

নিজের সাইটে ভিজিটর আনা যায় দইুটি উপায়ে-

বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাইটে ভিজিটর আনার জন্য প্রয়োজন অর্থ, আর অর্গার্গনিকভাবে ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য হচ্ছে সঠিকভাবে এসইও অপ্টিমাইজেশন করা। আর Organic SEO এর শুরুটাই হয় কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার মধ্য দিয়ে।

ভাল কি-ওয়ার্ড রিসার্চ না হলে, অনেক ভাল মানের আর্টিকেল লিখেও লাভ হয় না, ভিজিটির তথা ট্রাফিক আসে না। একটি মানসম্মত কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আপনাকে টার্গেটের্গে ড অডিয়েন্স সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করে দেয়। তারমানে আপনি আসলে কাদের জন্য আর্টিকেল লিখবেন, এবং তাদের চাহিদা কি কি উক্ত টপিকের উপরে।

তবে মনে রাখবেন,

আপনার সাইটটি সার্চ ইঞ্জিনে আরও ভাল পজিশনে নিয়ে যেতে কিছুব্যাপার বাকি থেকেই যায়। যেমন-

এরকম আর কিছুবিষয়াদি।

কি -ওয়ার্ড ডিফিকাল্টি (KD) কি ?

যখন আপনি বিভিন্ন টুলস (ফ্রি বা পেইড) দিয়ে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন, তখন KD নামে একটি সাইডবার চোখে পড়বে, এটারই পূর্ণ রূপ হচ্ছে কি-ওয়ার্ড ডিফিকাল্টি। এটি আবার এসইও ডিফিকাল্টি ও কি-ওয়ার্ড কম্পিটিটশন প্যারামিটার হিসবেও পরিচিত।

এটির সহজ মানে হচ্ছে- টুলস আপনাকে একটা ধারণা দেয় যে উক্ত কি-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করে সার্পে Rank করানো কতটা সহজ বা কঠিন। আসুন এক নজরে কি-ওয়ার্ড ডিফিকাল্টির প্যারামিটারে চোখ বলিু য়ে নেয়া যাক-

গুগল যদিও তার র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসেবে ডোমেইন অথোরিটিকে গুরুত্ব দেয় না বলে থাকে, কিন্তু তারাই যখন আবার ইউজার এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে কথা বলে, এবং সেখানে একটা পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে- প্রায় ২২% ইউজার নতুন সাইট থেকে খুব দ্রুত চলে যায় বা মুভ করে!

তাই অন্য দইুটি ফ্যাক্টরের সাথে ডোমেইন অথোরিটি এখনও ম্যাটার করে গুগলে র্যাংক করতে গেলে, বা সার্পের ১ম পেজে সহজেই জায়গা করে নিতে চাইলে।

আমরা আস্তে আস্তে কি-ওয়ার্ড রিসার্চের গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। চোখ লেগে আসলে, একটু চোখেমখেু পানি দিয়ে আসুন! কারণ, মস্তিষ্কের আসল খেলা কেবল শুরু হতে যাচ্ছে।

কি - ওয়ার্ড রিসার্চের পূর্বে অবশ্যই আপনাকে ঠিক করে ফেলতে হবে কোন টপিক বা নিশ নিয়ে আপনি ব্লগিং বা ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

মানে কিছুকিছুটপিক থাকে সিজনাল, সারা বছর তেমন ভ্যালুথাকে না, একটা নির্দিষ্ট সময়ে এর ভ্যালুবাড়ে। এখন ট্রাভেলিং যেহেতু একটি অনেক বড় একটা টপিক, তাই আরও ছোট টপিক সিলেক্ট করার চেষ্টা করুন।

কারণ গুগল এখন খুব স্পেসিফিক কাভার করা টপিক ভিত্তিক সাইটকে মূল্যায়ন করে। ধরলাম আমি ট্রাভেলিং এর জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি নিয়েই শুধু একটা সাইট বানাবো।

বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া (মার্কেট রিসার্চ) মেপে দেখলাম এই টপিক বা নিশ নিয়ে কাজ করা যায়। এরপর এর সাব টপিক বের করার চেষ্টা করতে হবে। ট্রাভেলিং করতে গেলে মানুষের অনেক কিছুই প্রয়োজন হয়। যেমন ব্যাকপ্যাক, তাবু, জতা , সাইকেল, হাইকিং এর জিনিসপাতি, ভাড়ার বাইক, হোটেল, ইত্যাদি।

তাহলে এগুলো হচ্ছে এখানে সাব টপিক। এই সাব টপিক ধরে ধরে আলাদা করে কি-ওয়ার্ড বের করে আর্টিকেল লিখে পুরো মেইন টপিক বা নিশ (ট্রাভেলিং সরঞ্জামাদি) খুব ভাল করেই কাভার করা সম্ভব।

এভাবে মলূ টপিক ও সাব টপিক মিলিয়ে সার্চ ভলিউম সহ অনান্য প্যারামিটার থেকে যাচাই করে কি-ওয়ার্ড বেশ সহজেই বের করা যেতে পারে।

কি -ওয়ার্ড রিসার্চ টুলসের ধরন

আমরা যখন একটা টপিকের উপর কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করব তখন বিভিন্ন প্রকার টুলসে ও এক্সটেনশনের সাহায্য নেব। এই টুলস আমাদের এই Keyword Reserch প্রক্রিয়াকে ত্বরানিত করে। অনালাইনে রিসার্চের জন্য দইু ধরনের টুলস দেখতে পাওয়া যায়-

ফ্রি টুলস মানে যেখানে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অর্থ খরচ করতে হয় না, আর পেইড টুলস ঠিক তার উল্টোটা। তবে আমি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ খুব ভাল করে সম্পন্ন করার জন্য পেইড টুলসগুলোই ব্যবহার করার জন্য উদ্বুদ্ধ করব।

কিভাবে ফ্রি -তে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়?

আপনি যদি কি-ওয়ার্ড রিসার্চের শুরুর দিকে অর্থ খরচ করতে ইচ্ছকু না হন, তবে আশা হারানোর কিছুনেই। ফ্রি রিসার্চ করার জন্য বেশ কিছুটুলস ও ব্রাউজার এক্সটেনশন অনলাইনে এভেলেইবল আছে।

এবং, সবচেয়ে বড় কথা এগুলো অনেক কার্যকরী যদিও সময় একটুক্ষেপণ হয়। কারণ প্রায় সময়ই ম্যানুয়ালি চেক করতে হয়। আসুন আর কথা না বাড়িয়ে কিছু ফ্রি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ও এক্সটেনশন সম্পর্কে জেনে আসি।

Google Keyword Planner:

এটি আমার অন্যতম পছন্দের একটি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস। তাছাড়া এটি গুগলের একটি প্রোডাক্ট, যাতে আপনি সরাসরি গুগলে সার্চ করা কি-ওয়ার্ডস বা টপিক নিয়ে ধারণা পেয়ে যাবেন।

তবে এটি মলতূ ডিজাইন করা হয়েছে যারা গুগলে এড ক্যাম্পেইন করে থাকেন, তাদের জন্য। কিন্তু তাতে কি? দারুণ সব টপিক ও কি-ওয়ার্ডের লিস্ট এমন থরে থরে সাজানো অস্থায় খুব কম ফ্রি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলসেই পাওয়া যায়।

তাছাড়া যেহেতু এড ক্যাম্পেইনারদের টার্গেটর্গে করে এটি বানানো হয়েছে, তাই কোন বিজ্ঞাপনদাতা একটি কি-ওয়ার্ডের জন্য কত বিড করেছেন সেটিও জানা যায়।

Google Keyword Planner (GKP) দেখতে অনেক আকর্ষণীয় ও সাজানো গোছানো। যেমন নিচের চিত্রটি দেখুন (আমি এখানে Coffe কে মেইন কি-ওয়ার্ড হিসেবে সিলেক্ট করেছি)-

উপরের চিত্রটি লক্ষ্য করলেই দেখতে পাচ্ছেন এটি মাসিক সার্চ ভলিউম সহ একদম কম্পিটিশন এনালাইসিস করে দেখিয়ে দিচ্ছে।

এই টুলস দিয়ে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে চাইলে আপনাকে এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে কাজ করতে হবে। যেখানে আপনি Language Select, Region, Enter Keyword, etc অপশন পাবেন।

তবে এখানে আপনি বাংলা কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন না। এবং এই টুলসটি মূলত ফোকাসড কি-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে সাহায্য করে।

আর গুগল কি-ওয়ার্ড প্লানার ব্যবহার করতে চাইলে আপনার একটি গুগল একাউন্ট থাকতে হবে। এবং এটি দিয়ে গুগল Adwords-এ একটি আইডি সেট আপ করতে হবে।

তবে সবকিছুমিলিয়েই Google Keyword Planner একটি শক্তিশালী গুগল ভিত্তিক ডাটাবেজ। এটির সঠিক ব্যবহার নিঃসব্দেহে আপনাকে কি-ওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রাখবে। আর যেহেতুএটি সরাসরি গুগলের সাথে সম্পর্কিত, তাই এসইও এর ক্ষেত্রেও এটি অনেক ফলপ্রসূ।

Keyword Surfer:

এটি আমার সব থেকে পছন্দের একটি ফ্রি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস। এটি গুগল ক্রোমে এক্সটেনশন হিসেবে ইউজ করা যায়। এর মানে আপনি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ ছাড়া এটির ব্যবহার করতে পারছেন না। Keyword Surfer একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস।

এখানে আপনি কি-ওয়ার্ড আইডিয়া জেনারেট করা সহ সার্চ ভলিউম ও রিজিওন বা অঞ্চল ভিত্তিক রিসার্চ করতে পারবেন। নিচের চিত্রটি দেখুন-

দেখেন, এখানে সার্চ ভলিউম সহ সিমিলার কি-ওয়ার্ড পর্যন্ত শো করছে। এছাড়াও গুগল সার্চ বক্সের নিচের মত এই রিসার্চ টুলসের নিচের দিকেও কিছুটপিক রিলেটেড কি-ওয়ার্ড শো করে। তার চেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে Keyword Surfer দিয়ে বাংলাতে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।

Ubersuggest Tool:

Ubersuggest হচ্ছে বিখ্যাত ব্লগার Neil Patel এর ব্যবহৃত ও তাদের দ্বারা ডিজাইনকৃত আরেকটি সুপরিচিত কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল। আমার কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার হাতে খড়ি হয়েছিল এটি দিয়েই। পুর্বে যদিও ফ্রি-তে অনেক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা গেলেও এখন আর সম্ভব হয় না। এখন প্রতি ২৪ ঘন্টায় মাত্র ৩টি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা সম্ভব।

এটির আরেকটি ভাল দিক হচ্ছে- এখানে আপনি বাংলায় কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। এটি মোটামুটি ফ্রি হলেও এখানে প্রফেশনালিজমের সাথে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। Ubersuggest-এ কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে গেলে SV, SD/KD, CPC, PD, Trend, etc অনেক ফিচার্স রয়েছে। নিচের ছবিটি দেখুন।

এছাড়াও আরও বেশ কিছুফিচার্স রয়েছে। Competitor Analysis, Content Gap, Related Ideas, ইত্যাদি সহ ডীপ রিসার্চের জন্য এই টুলটি ইতোমধ্যে বেশ বিশ্বস্ততা অর্জন করেছে।

Ubersuggest টুলটি আপনি তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে এবং ক্রোম এক্সটেনশন - দুইভাবেই ব্যবহার করতে পারবেন।

Keyword Tool:

এই কি-ওয়ার্ড টুল দিয়ে আপনি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই ফ্রি’তে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। সেদিক দিয়ে বিবেচনায় এটি একটি লাভজনক টুলস।

এটিতে রিসার্চ করতে হলে, প্রথমেই আপনাকে এদের ওয়েবসাইটে ঢুঁমারতে হবে। এবং, কোন কি-ওয়ার্ড বা টপিক নিয়ে রিসার্চ করতে চাচ্ছেন সেটি একদম ১ম সার্চ কনসোলে টাইপ করতে হবে। আর তারপর ২য় বক্সে গিয়ে যে ভাষায় রিসার্চ করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করে সার্চ বাটনে ক্লিক করবেন।

Keyword Tool এর মাধ্যমে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম (Search Volume-SV) সিপিসি (CPC), এবং কম্পিটিশন সম্পর্কে ধারণা পেতে চাইলে, টাকা খসাতে হবে!

এছাড়াও আপনি এখানে টার্গেটের্গে ড কি-ওয়ার্ডের সাথে সম্পর্কিত রিলেটেড কি-ওয়ার্ড নিয়ে ধারণা পেয়ে যাবেন। আর এগুলো আপনি অতি সহজেই আপনার কনটেন্টে ব্যবহার করে সেটিকে আরও এসইও ফ্রেন্ডলি করতে পারবেন।

পেইড কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস Paid Tools

আসুন প্রথমেই কিছু পেইড কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলসের নাম জেনে নেওয়া যাক-

এবার উপরোল্লিখিত টুলস হতে অল্প কিছু পেইড টুলস নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা যাক।

যদি আপনি টাকা খরচ করে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতেই চান, তবে আমি আপনাকে হাইলি রিকোমেন্ড করব SEMRush ব্যবহার করার জন্য। এটি এই সময়ের সব থেকে বেস্ট Paid Keyword Research Tool-দের মধ্যে একদম ১ম সারির দিকে রয়েছে।

এমনকি আপনি আপনার কম্পিটিটর সাইটে গিয়ে তাদের কি-ওয়ার্ড চুরি করতে পারবেন এই টুলসটির মাধ্যমে। মানে যেসব কি-ওয়ার্ডের জন্য আপনার কম্পিটিটর সাইটস গুগলে র‍্যাংক করে আছে, সেটা জানতে পারবেন।

দেখতে সুন্দর না! এই টুলের মাধ্যমে আপনি Top Organic Keywords, Top Search Positions, Phrase Match Report নিয়ে একদম বিস্তারিত জানা যায়। তবে SEMRush ব্যবহার করে আপাতত বাংলায় কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা সেই অর্থে সম্ভব হচ্ছে না।

পেইড কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলসের মধ্যে আমার আরেকটি প্রিয় অস্ত্র হচ্ছে Ahrefs. এটি আপনার সামনে শুধু কার্যকরী Keywords-ই তুলে নিয়ে আসবে। যদিও এটিকে অনেকে শুধু Link Building Tool হিসেবে বলে থাকে।

কিন্তু Backlink কাউন্ট করার পাশাপাশি Keyword Research, Content Gap, Competitor Analysis করতে এটি প্রায় অতুলনীয় পর্যায়ের। Ahrefs মাধ্যমে একই টপিকের উপর টনকে টন কি-ওয়ার্ড বের করা সম্ভব।

যেখানে অন্যান্য কি-ওয়ার্ড শুধু সার্চ ভলিউম, ক্লিক এসব দেখায়, সেখানে Ahrefs উক্ত টপিকটি সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পেজে র‍্যাংক করতে কতগুলো Backlink প্রয়োজন- সেটিও শো করে।

তবে এই টুলটি একদম আনকোরা নতুন কি-ওয়ার্ড আইডিয়া জেনারেট করতে পারে না। Ahrefs শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের সাপেক্ষে বিভিন্ন ভ্যারিশনের লাখ লাখ কি-ওয়ার্ড প্রদান করতে সিদ্ধহস্ত। আর সবচেয়ে বড় কথা মাত্র এক শব্দের (Single term) কি-ওয়ার্ড টাইপ করে লাখখানেক বিভিন্ন ভ্যারিয়শনের কি-ওয়ার্ড বের করাতে Ahrefs এর জুড়ি মেলা ভার!

এছাড়াও এটি দিয়ে বাংলাতেও কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।

এই টুলটি আগে ফ্রি’তে ব্যবহার করা গেলেও এখন এটি পেইড টুলস। ফ্রি’তে সর্বোচ্চ ৩টি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায় এখন। Keyword Everywhere নামটির মধ্যেই এর সমস্ত গুণাগুণ আসলে প্রকাশ করা হয়ে গেছে। এই টুল ব্যবহারের আরেকটি চমৎকার সুবিধা হচ্ছে কি-ওয়ার্ড রিসার্চের সময় সমস্ত কি-ওয়ার্ডস ক্রোম ব্রাউজারের সাইড বারে শো করে।

আরো পড়ুন..

Keyword Everywhere সার্চ ভলিউম, সিপিসি দেখানোর পাশাপাশি কম্পিটিশন নিয়েও ধারণা দিয়ে দেয়। এছাড়া এই টুলের আরেকটি দারুণ ফিচার হচ্ছে ‘People Also Search for’. যার মাধ্যমে আপনার ফোকাসড কি-ওয়ার্ড নিয়ে ও তার বাইরে সেটি নিয়ে মানুষ আর কি কি জানতে চাইছে সেটা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন। এই ব্যাপারটি নিঃসন্দেহে আপনার Keyword Research প্রক্রিয়াকে আরও ইফেক্টিভ করবে।

Keyword Research করার জন্য আরেকটি ভাল পেইড টুল হচ্ছে KWFinder. এটি পেইড হলেও এখানে ৩টি কি-ওয়ার্ডস ফ্রি’তে রিসার্চ করা যায়। এখানে আপনি অতি সহজেই শুধুমাত্র ইমেইল দিয়েই একাউন্ট ক্রিয়েট করে নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

উপরের চিত্রে দেখতেই পারছেন এটির মাধ্যমে কি-ওয়ার্ড রিসার্চের সময় আপনি সার্চ ভলিউম, কি-ওয়ার্ড ডিফিকাল্টি, CPC, PPC সব দেখতে পারবেন।

এছাড়াও KWFinder আপনার প্রতিদ্বন্দীর ব্যাকলিঙ্ক সম্পর্কেও একটা ধারণা দিয়ে দেয়। এবং, এই সবকিছু আপনাকে আপনার কাঙ্খিত কি-ওয়ার্ড নিয়ে একটা স্বচ্ছ ধারণা পেতে সাহায্য করে।

অন্যান্য বিভিন্ন মাধ্যমে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ

আমরা তো এতক্ষণ ফ্রি ও পেইড বিভিন্ন প্রকার টুলস নিয়েই এটা সেটা বলে গেলাম, জেনে গেলাম। কিন্তু আপনি ম্যানুয়াল রিসার্চ বলেও একটা কথা মার্কেটে প্রচলিত আছে বলে শুনে থাকতে পারেন।

আচ্ছা, এটা আবার কি জিনিস! খায় নাকি মাথায় দেয়? এটি আসলে তেমন কিছুই না।

আপনি যখন সার্চ ইঞ্জিন বা গুগলে কিছু লিখে সার্চ করেন, তখন থেকেই আসলে ম্যানুয়াল রিসার্চ করাটা শুরু করতে পারেন। Manual Reaserch কথাটার মানে হচ্ছে কোনও প্রকার টুলসের সাহায্য ছাড়াই নিজ বুদ্ধি ও ন্যাচারালি যা দেখতে পাওয়া যায় সেসব বিষয় নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া।

আসুন, এবার টুলসের বাইরে কিছু ম্যানুয়াল কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার ব্যাপারে ধারণা নেই।

আমরা যখন যেকোন কিছু লিখে গুগলের সার্চ বক্সে সার্চ দেই, তখন সার্চ বক্সের ঠিক নিচে লেখার সময় বা পরে একই ধরনের কিছু Keyword Phrase গুগল নিজে থেকেই সাজেস্ট করে থাকে।

এটি সাধারণত গুগলের এআই টেকনোলজির ফল। মানে গুগল যেকোন টপিকের রিলেভেন্সি টার্মগুলো কি কি হতে পারে, তা ইউজারকে সাজেস্ট করে থাকে।

যেন ইউজার খুব সহজে তার কাঙ্খিত টপিকটি প্রেস করে তাড়াতাড়ি খুব সহজেই খুঁজে নিতে পারে। নিচের বক্সটি লক্ষ্য করুন যেখানে আমি জাস্ট “কিওয়ার্ড” লিখে সার্চ দিয়েছি গুগলে-

তাতে করে গুগল নিজে থেকেই কিছু অটো সাজেশন দিচ্ছে। যদি কোনও সময় এ রকম না দেখায়, তাহলে কি-ওয়ার্ড বা যেটা লিখেছেন তার পর একটা Space দিলেই হয়ে যাবে। এই Google Auto Suggest প্রক্রিয়াটি কি-ওয়ার্ড জেনারেট করতেও খুব কাজে দেয়।

গুগলের মত ইউটিউবেও মানুষজন সার্চ বক্সে গিয়ে পছন্দ বা চাহিদামত জিনিস সার্চ করে। আমরা গুগল অটো সাজেস্ট প্রক্রিয়াটির মত YouTube Auto Suggest থেকেও কি-ওয়ার্ড রিসার্চ বা আইডিয়া জেনারেট করতে পারি।

এই গুগল ও ইউটিউব অটো সাজেসন কনটেন্ট লেখার সময় অন পেইজ এসইও সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রেও খুব কার্যকরী।

গুগলের সার্চ বক্সে কিছু লিখে সার্চ দিলে যেমন সার্চ বক্সের একদম নিচে কিছু সাজেশন ভাসে, ঠিক সেরকম-ই সার্পের একদম নিচের দিকে (পেজের শেষের অংশে) Realated Searches নামে একটি অপশন দেখা যায়। যেখানে মোট ৮টি রিলেটেড কি-ওয়ার্ড দেখতে পাওয়া যায়। যেমন- আমি “কিওয়ার্ড’ লিখে সার্চ করার পর পেজের নিচে যা পেলাম-

এখান থেকে আমি আইডিয়া নিয়ে যেমন আমি কিওয়ার্ড ভিত্তিক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারছি, তেমনি এই বিষয়ে কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রেও তা কাজে দেবে।

আপনি যদি বুঝতে চান, গুগলে আপনার কি-ওয়ার্ডের বর্তমান চাহিদা কেমন- তবে Google Trends এর বিকল্প নেই। তাছাড়াও এটি আপনাকে নতুন কি-ওয়ার্ড নিয়েও রিসার্চ করে দেবে।

এই টুলটি দুইভাবে ব্যবহার করা যায়-

এক, একটি নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করে এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কি-ওয়ার্ডস বের করতে পারবেন।

দুই, কি-ওয়ার্ড লিখে সেটির চাহিদা বা জনপ্রিয়তা কেমন সেটি গ্রাফ আকারে দেখতে পারবেন। যা আপনাকে আপনার সেই কি-ওয়ার্ডের ব্যাপারে একটি চমৎকার আইডিয়া পেতে সাহায্য করবে।

এছাড়াও আপনি পাশাপাশি দুইটা Keywords রেখে তাদের মধ্যে তুলনামূলক রেজাল্ট গ্রাফ আকারে পাশাপাশি দেখতে পারবেন। যেমন ধরুন- আপনি যদি Facebook Marketing ও Tiktok Marketing লিখে সার্চ দেন তবে আপনি দেখতে পাবেন যে FB Marketing-এর চেয়ে Tiktok Mareking-এর গ্রোথ রেট তথা গ্রাফের লেভেল উপরে।

আপনি YouTube-এর ক্ষেত্রেইও এই Google Trends কে যদি কাজে লাগাতে পারেন, দেখবেন দারুণ সব ফলাফল বের করে আনতে পারছেন।

গুগল সার্চ কনসোল হচ্ছে সব থেকে আন্ডাররেটেড কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল। এটিকে অনেকি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল হিসেবে ভাবতেই পারে না। But believe me it is a golmine for keyword ideas. এর জন্য আপনাকে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে একটা GSC একাউন্ট খুলে সেখানে লগ ইন করতে হবে। এবং আপনার সাইটে কিছু কনটেন্ট পাবলিশড করা থাকতে হবে।

এভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারলে আপনি আরও সম্ভাবনাময় (Opportunity Keywords) কি-ওয়ার্ডসের সন্ধান পেয়ে যাবেন। এটি প্রফেশনাল মানের কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল না হলেও আপনি এর মাধ্যমে আপনার কি-ওয়ার্ডের আশেপাশের সমস্ত কি-ওয়ার্ডস সাজানো গোছানো অবস্থায় পেয়ে যাবেন।

কিভাবে ফাইনাল কি-ওয়ার্ডস নির্বাচন করবেন? কোন কি-ওয়ার্ডগুলোকে নির্বাচন করবেন?

শুরুতেই বলে নেই- কি-ওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া ও নির্বাচন করা সবার এক হবে ব্যাপারটা সেরকম নয়। সবার নিজস্ব একটা করে স্ট্র্যাটেজি থাকা উচিত এক্ষেত্রে।

যেমন- আপনি একটি সদ্য জন্মানো ওয়েবসাইটের জন্য যেভাবে কি-ওয়ার্ড বেছে নেবেন, ঠিক একই জিনিস আপনি বেশ ভাল ভিজিটির পাওয়া সাইটের জন্য এপ্লাই করবেন না - এটাই স্বাভাবিক। আচ্ছা চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

Keyword Density কি?

আজকাল আর এই কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামায় না। কারণ গুগল আগের থেকে অনেক স্মার্ট হয়ে গেছে। এখন অনেককিছু একা একাই বুঝে ফেলতে পারে। তবুও এক হাজার শব্দে ৫-৭ বার ফোকাসড কি-ওয়ার্ড কনটেন্টে ইউজ করা যেতেই পারে।

তবে জোর করে ঢুকিয়ে দিতে নেই, এতে করে ইউজার বিরক্ত হয়ে গেলে গুগল মামা-ও মাইন্ড করে ফেলবে যে! এই এক হাজার শব্দে ৫-৭ বার মেইন/প্যারেন্ট/ফোকাস কি-ওয়ার্ড ইউজ করার জন্য বলছি- এটিই Keyword Density. নিজে নিজে এবার % এর হিসেব সেরে নিতে পারেন!

Leave a Comment