অনলাইন ইনকাম এর গোপন রহস্য

অনলাইন ইনকাম বিষয়টি এখন একটি ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই চাকরি এবং পড়ালেখার পাশাপাশি অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণে ইনকাম করছেন। আবার অনেকেই এই পেশা নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন। আবার অনেকেই অনলাইনে ইনকাম তাদের প্রফেশনাল পেশা হিসেবে নিয়েছেন।

যারা অনলাইন থেকে ইনকাম করছেন খুবই সুন্দর সাথে তাদের জীবনযাপন করছেন। অনলাইন থেকে ইনকাম করার প্রচুর মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে বেশ কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে অনেকেই এখান থেকে ইনকাম করছেন।

তাহলে কি অনলাইন থেকে ইনকাম করা একেবারেই সহজ কাজ? এ বিষয়টির উত্তর বলতে গেলে এভাবে বলতে হয়, কারোর জন্য একেবারে সহজ, আবার কারোর জন্য অসম্ভব। তবে হ্যাঁ যারা এই সেক্টরে কাজ করেন তারা একেকজন একেকরকম ট্রিক্স বা গোপন কোনো ফর্মুলা ব্যবহার করে অনলাইন থেকে ইনকাম করছেন। যেগুলো অনেকেই প্রকাশ করে না।

হ্যাঁ বন্ধুরা আজকে আমি এখানে অনলাইন ইনকাম এর ব্যাপারে বেশ কিছু গোপন রহস্য শেয়ার করবো যেগুলো অবলম্বন করলে একজন নতুন ব্যক্তি খুব সহজেই অনলাইনে তার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

অনলাইন ইনকাম এর গোপন রহস্য
অনলাইন ইনকাম এর গোপন রহস্য

বন্ধুরা চলুন তার আগে জেনে নেই অনলাইনে ইনকাম এর ব্যাপারে খুটি-নাটি কিছু বিষয়ঃ

অনলাইনে ইনকাম কারা করে

আমি ইতিমধ্যে বলেছি অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে যেগুলো করে অনলাইন থেকে ইনকাম করা সম্ভব। যারা অনলাইন থেকে ইনকাম করে তাদের সাধারণতহ তিন’ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ

ফ্রীল্যান্সারঃ

যারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে তাদের নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কাজ করে ইনকাম করে থাকে। বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে আপনি অনায়াসে যেকোনো একটি বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করে আয় করতে পারবেন।

মার্কেটপ্লেসে চাহিদা সম্পন্ন কিছু কাজ হল: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ডেভলপার, ট্রান্সলেটর ইত্যাদি।

মার্কেটারঃ

যারা অনলাইন থেকে আয় করে তাদের দ্বিতীয় ক্যাটাগরি হলো মার্কেটার। তারা অনলাইনে বিভিন্নভাবে তাদের মার্কেটিং ক্যারিয়ার তৈরি করেন এবং মার্কেটিং করে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করেন।

অনলাইন মার্কেটিং করে আয় করার জনপ্রিয় কিছু মাধ্যম হলো:  ডিজিটাল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, প্রডাক্ট রিভিউ ইত্যাদি।

প্যাসিব ইনকামঃ

এছাড়াও আরও একটি জনপ্রিয় অনলাইন ইনকামের পদ্ধতি হলো প্যাসিভ ইনকাম। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম কেননা এই ইনকাম সিস্টেমটি সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং লাভজনক।

অর্থাৎ এখানে একবার কাজ করলে সেই কাজ থেকে সারাজীবন প্রফিট করা যায়। মনে করুন আপনি একটি প্রোডাক্ট অনলাইনে ছেড়ে দিয়েছেন এবং সেটি যত বিক্রয় হবে আপনি তত প্রফিট পাবেন। অথবা একটি আর্টিকেল গুগল সার্চ ইঞ্জিনে হয়ে রয়েছে সেটা থেকে আজীবন ইনকাম করতে পারবেন।

তবে প্যাসিভ ইনকাম করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে অন্যথায় এখানে কম্পিটিশনে টিকতে পারবেন না।

প্যাসিভ ইনকাম এর জনপ্রিয় কিছু মাধ্যম হলো : ব্লগিং, গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ইউটিউব, অনলাইন কোর্স, টিচিং ইত্যাদি।

কত টাকা ইনকাম করা যায়

অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায় এই কথার উত্তর দিতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় এর কোন নির্ধারিত সীমা নেই। অর্থাৎ একজন ফ্রিল্যান্সার কতটা দক্ষতার উপর নির্ভর করবে সে কত টাকা ইনকাম করবে।

তবে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার প্রতিমাসে 50 হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে। আবার অনেকে এর চেয়েও বেশি ইনকাম করে থাকেন।

আরও পড়ুন: অনলাইনে দ্রুত আয় করার উপায় নিয়ে কয়েকটি অভিনব কৌশল

অনলাইনে বেশি আয় করার কিছু সেকরেট বিষয়

আজকে আমি এখানে কিছু সিক্রেট বিষয় আলোচনা করছি সেগুলো কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার ইনকাম কে কয়েকগুণ বাড়িয়ে নিতে পারেন।

ইউনিক আইডিয়া কাজে লাগানো

অনলাইনে ইনকাম করতে গেলে আপনাকে ইউনিক আইডিয়া কাজে লাগাতে হবে অর্থাৎ ইতিপূর্বে এটি অন্য কেউ কাজে লাগায়নি।  সেরকম একটি আইডিয়া জেনারেট করে তার উপর ভিত্তি করে কাজ করুন খুব দ্রুত সফল হতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি একটু ভিন্নভাবে করুন তাহলে সেটিতে খুব দ্রুত সফলতা পাওয়া সম্ভব।

অনলাইন আয়ের জন্য প্লাটফর্ম নির্বাচন

আরো একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে অনলাইন ইনকামের জন্য সঠিক প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করা। একই কাজ এক জায়গাতে যে মূল্য পাওয়া যায় সেই কাজটি অন্য আরেকটি মার্কেটপ্লেসে তার কোন মূল্য পাওয়া যায়।

এক্ষেত্রে আপনাকে খুঁজে খুঁজে ট্রাস্টেড এবং জনপ্রিয় প্লাটফর্ম গুলো খুজে বের করতে হবে। বিশ্বস্ত এবং ভালো প্ল্যাটফর্ম খুঁজে বের করার জন্য আপনি কারো সাহায্য নিতে পারেন অথবা এ ব্যাপারে প্রচুর পরিমাণে রিসার্চ করতে পারেন।

কেননা সঠিক প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করতে না পারলে আপনার ইনকাম ততটা বাড়াতে পারবেন না।

কমিউনিটি তৈরি করা

আপনি যদি অনলাইন থেকে আদৌ ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে অনলাইনেই কমিউনিটি তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার কমিউনিটি যত বড় হবে আপনার অনলাইন থেকে ইনকাম করার রাস্তা দিয়ে ততই প্রসার হতে থাকবে।

কমিউনিটি বলতে আমি বুঝাতে চাচ্ছি আপনি যদি কোন প্রোডাক্ট বা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করেন, সেক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড একটি ফেসবুক পেইজ, টুইটার পেইজ, বা ইমেইল কালেকশন করতে পারেন।

আপনার ফেসবুক পেইজ এর যত বেশি মেম্বার থাকবে আপনার প্রোডাক্টের আপডেট তথ্য দ্রুত মার্কেটিং করতে পারবেন।

অর্থাৎ আপনার প্রোডাক্টের রিলেটেড যদি এক লক্ষ মেম্বার এর একটি কমিউনিটি থাকে, তাহলে একটি প্রডাক্টের আপডেট দেয়া মাত্র এক লক্ষ লোকের কাছে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আপডেট চলে যাবে। একবার ভাবুন আপনার কমিউনিটির কারণে আপনার মার্কেটিং কতটা সহজ হয়ে গেল।

বেশকিছু অনলাইন কমিউনিটি হলঃ ফেসবুক লাইক, ফেসবুক ফলোয়ার, ফেসবুক গ্রুপ মেম্বার, ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার, ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইবার ইত্যাদি।

পোর্টফলিও তৈরি করা

অনলাইন ইনকাম বাড়ানোর জন্য অথবা আপনার বিজনেস বা মার্কেটিং কে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য আপনি একটি পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন। যাতে করে যেকোনো কাস্টমার আপনার পোর্টফোলিও দেখে বুঝতে পারে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে।

আপনার যদি সুন্দর একটি পোর্টফোলিও থাকে তাহলে সে পোর্টফলিও টি দেখে অনেক কাস্টমার আপনার কাছ থেকে প্রোডাক্ট নেয়ার জন্য স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে।

তবে হ্যাঁ একটি পোর্টফোলিও তৈরি করার জন্য অবশ্যই সেখানে আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন।

পোর্টফোলিও বলতে আমি বুঝাতে চাচ্ছি: আপনার দক্ষতা সম্পর্কে একটি ওয়েবসাইট, অথবা আপনার দক্ষতা সম্পর্কে একটি লিঙ্ক দিন পেজ, অথবা হতে পারে কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল। এবং পোর্টফলিওতে আপনার সকল দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা এবং পুরনো কাজের কিছু স্কিল শেয়ার করা থাকবে।

মার্কেটিং এ নতুনত্ব আনা

আপনার অনলাইন বিজনেস কে এগিয়ে নেয়ার জন্য মার্কেটিং সিস্টেমটিকে নতুনত্ব আনতে হবে। অন্যান্য অনলাইন মার্কেটাররা যেভাবে মার্কেটিং করে আপনি তার চেয়ে ভিন্ন তরিকায় মার্কেটিং করার চেষ্টা করুন।

যখন আপনি ভিন্ন কোন পদ্ধতিতে মার্কেটিং করবেন আপনার কাস্টমার বা অডিয়েন্স খুব সহজেই আপনার প্রোডাক্টের দিকে আকৃষ্ট হবে। আর তখন আপনার অনলাইন ব্যবসাটি অথবা অনলাইন ইনকামের রাস্তা দিয়ে অনেক দ্রুত প্রসার হতে থাকবে।

কাষ্টমার/অডিয়েন্সকে নতুন কিছু দেওয়া

অনলাইন মার্কেটিং করার জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কাস্টমার বা অডিয়েন্সকে নতুন কিছু দেয়া। কেননা একজন কাস্টোমার একই জিনিস বারবার দেখতে থাকলে তারা বোর ফিল করে।

আপনার অডিয়েন্স বা কাস্টমারদের জন্য আপনি বেশ কিছু সিস্টেম চালু রাখতে পারেন।

যেমন, গিফট এর ব্যবস্থা, মাঝে মাঝে লাইভ চ্যাট, সাপোর্ট সিস্টেম চালু রাখা, এমনকি কাস্টমার বা অডিয়েন্স দের মাঝে কম্পিটিশন তৈরি করা ইত্যাদি।

অনলাইনে আয়ের সেরা প্লাটফর্ম

এতক্ষণ আমরা জানলাম অনলাইন ইনকাম বা অনলাইন ব্যবসা দ্রুত প্রসার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোপন টিপস। এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করছি অনলাইন থেকে আয় করার জন্য সেরা কিছু প্ল্যাটফর্ম।

যদিও এই আর্টিকেলের ওপরের দিকে আমি অনলাইনে আয়ের কিছু মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি এখানেও শর্টকাটে বলে দিচ্ছি কোন কোন কাজ গুলো থেকে খুব দ্রুত অনলাইন ইনকাম অনলাইনে উপার্জন করা সম্ভব।

বন্ধুরা মনে রাখতে হবে অনলাইনে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার জন্য বা দ্রুত ইনকাম করার জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করতে হবে। কেননা ভালো পারফর্ম ছাড়া দ্রুত অগ্রসর হতে পারবেন না।

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রেফারেবল হচ্ছে- ব্লগিং, গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।

আর যদি কেও সৃজনশীল কোন কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয় সৃজনশীল কোন কাজ করতে ভালো লাগে তাদের জন্য রয়েছে, গ্রাফিক ডিজাইন।

এ ছাড়াও আরও বেশ কিছু মাধ্যম রয়েছে যেমন,  আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি।

অনলাইনে ইনকামের সবচেয়ে সহজ উপায়

অনলাইনে কাজ করার জন্য সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং এবং গুগল এডসেন্স। ব্লগিং করে একজন নতুন মার্কেটার খুব দ্রুত তাদের ক্যারিয়ার গঠন করতে পারে।

প্রয়োজনীয় মেটারিয়ালস সংগ্রহ

অনলাইনে ইনকাম করতে গেলে আপনার কিছু কিছু মেটারিয়ালস অথবা এসিড প্রয়োজন হবে। যেমন একটি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট কানেকশন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া প্রফাইল, বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল তৈরি ইত্যাদি।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য উপরোক্ত বিষয়গুলি বা মেটারিয়ালস গুলি আপনাকে অবশ্যই রেডি করে রাখতে হবে।

প্লাটফর্ম ডেকোরেশন

তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল প্ল্যাটফর্ম ডেকোরেশন। অর্থাৎ আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে সুন্দরভাবে সাজানো যাতে একজন ইউজার এসে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

যদি আপনার ওয়েবসাইটটি এলোমেলো থাকে কালার কম্বিনেশন ভালো না থাকে বা কোন লেখা ও স্পষ্ট দেখা যায় অথবা কোন লিংক ইন্ডিকেট করা না থাকে সেক্ষেত্রে সে কনফিউজড হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় আপনার ওয়েবসাইটটি কে সুন্দর করে সাজানো একটি সেক্রেট বিষয়ে।

অথবা আপনি যদি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন সেখানে আপনার প্রোফাইলটিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে হবে। বা ফাইবারে অফার বা গিগ তৈরি করার সময়, প্রডাক্ট রিলেটেড সুন্দর এবং স্বচ্ছ ছবি ব্যবহার করতে হবে। তাতে করে একজন বায়ার খুব সহজেই আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাবে।

আরও পড়ুন:

সর্বোপরি আমাদের পরামর্শ:

আপনি যদি অনলাইন থেকে আয় করার জন্য আমাদের এই ব্লগ পোস্ট টি পড়ে থাকেন তাহলে আশাকরি আমাদের এই লেখাগুলো আপনার 100% কাজে আসবে।

অনলাইন থেকে ইনকাম করার চেয়ে সেক্রেট বিষয়গুলো এখানে আলোচনা করা হলো তা সুষ্ঠুভাবে মেনে যদি একটি বিজনেস শুরু করেন তাহলে আমার মনে হয় খুব দ্রুত এবং সহজেই সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

আমাদের এই আর্টিকেল এর ব্যাপারে কোন পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

বন্ধুরা যদি আমার এই লেখাটি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই নিচের বাটনে ক্লিক করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Leave a Comment