অনলাইনে ইনকাম করার ২২টি উপায় ২০২১ [online income bd]

অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ উপায় 2021: আপনি কি অনলাইন থেকে ইনকাম করার কথা ভাবছেন? কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করবেন তাইতো? অনলাইন থেকে কি আসলেই ইনকাম করা যায়?  অনলাইন থেকে কত টাকা আয় করা যায়? কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায়?

আপনার মনে যদি এরকম কোন প্রশ্ন থাকে,  তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন এর সমাধানের জন্য।

হ্যাঁ, উপরের যে প্রশ্নগুলো দেখতে পাচ্ছেন এছাড়াও অনলাইন ইনকাম এর ব্যাপারে নানাবিধ সুবিধা ও অসুবিধা, অনলাইনে ইনকাম করার উপায়, কিভাবে অল্প সময়ে অনলাইনে ইনকাম করা যায় এবং সঠিক নিয়মে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এ ব্যাপার গুলো নিয়েই আজকের এই ব্লগ।

বন্ধুরা অনলাইন থেকে ইনকাম করার ব্যাপারটা এখন আর ভাবার মতো নয়। কেননা সবাই মোটামুটি জানে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়। এবং আমাদের আশেপাশে অনেকেই অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণে ইনকাম করছে প্রতিনিয়ত।

কিন্তু আমিও যে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাই, কিন্তু কিভাবে করব এ ব্যাপারটি তো জানিনা? কোন সমস্যা নেই, আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন আশা করি অনলাইন ইনকাম এর ব্যাপারে সকল তথ্য আপনার আয়ত্তে চলে আসবে।

অনলানে আয় করার সহজ উপায়গুলো
অনলানে আয় করার সহজ উপায়গুলো

আজকে এই আর্টিকেলে আমি আলোচনা করব অনলাইন থেকে সহজ উপায়ে কিভাবে ইনকাম করা যায়। সহজ এবং দ্রুত সময়ে অনলাইনে ইনকাম করার জনপ্রিয় মাধ্যম গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

অনলাইন ইনকাম কি

অনলাইন ইনকাম হলো ঘরে বসে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে আয় করা। অর্থাৎ যে সকল কাজ করার জন্য বাইরে যেতে হয় না এমনকি কোন অফিস করতে হয় না। আপনি যেকোনো কাজের পাশাপাশি অবসর টাইমে এই কাজটি করে মোটামুটি ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।

Read More-

কেন অনলাইনে ইনকাম করা উচিৎ

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য যেহেতু কোনরূপ অফিস এর প্রয়োজন হয় না, যেকোনো সময় কাজ করা যায়, অনলাইনে প্রচুর কাজ রয়েছে তার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিয়ে সহজ কাজ করে ইনকাম করা যায়। তাছাড়া অল্প সময়ে কাজ করে অধিক ইনকাম করা সম্ভব। এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো একবার করলে সারাজীবন সেখান থেকে ইনকাম করা সম্ভব।

এখন যদি আপনার অবসর সময়টুকু কাজে লাগিয়ে অনলাইনে কিছু কাজ করেন এবং সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে আয় হয় তাহলে আমাদের জন্য এটা করা উচিত কিনা।

যেহেতু এই কাজটি করতে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয় না অবসর সময় কাজে লাগিয়ে কাজ করা যায়। এবং এখান থেকে ভালো পরিমাণে আয় করা সম্ভব তাই আমি মনে করি আমাদের যে কোন সেক্টরে অনলাইনে ইনকাম করা উচিত।

অনলাইনে আয় করতে চাইলে কি কি জিনিসের প্রয়োজন

অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে আপনার অতিরিক্ত কোন জিনিসের প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ কিছু জিনিসের প্রয়োজন যেগুলো না হলে আপনি কাজ করতে পারবেন না।

অনলাইনে আয় করার জন্য যে জিনিস গুলো প্রয়োজন তা হলোঃ

  • একটি ভাল মানের স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার।
  • ইন্টারনেট সংযোগ
  • কাজ করার মানসিকতা

এই তিনটি জিনিস থাকলেই আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন। এখন কথা হচ্ছে কিভাবে ইনকাম করবেন, সমস্যা নেই এ ব্যাপারেও নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

অনলাইনে আয় করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা

অনলাইনে আয় করার জন্য আপনার কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। তবে আপনাকে অবশ্যই যে বিষয়ে কাজ করবেন সে কাজটি ভালোভাবে জানতে হবে। তা না হলে আপনি কোনোভাবেই অনলাইনে কাজ করে বায়ারের মন যোগাতে পারবেন না।

যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা হলঃ

  • আপনি যদি আর্টিকেল রাইটিং করে আয় করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভাল ইংরেজি অথবা বাংলা জানতে হবে।
  • আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ডিজাইন সম্পর্কে ভালো ধারণা এবং সফটওয়্যার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
  • আপনি যদি ব্লগিং করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্লগিং সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে।
  • আপনি যদি ইউটিউব করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে ভিডিও এডিটিং এবং ভিডিও কনটেন্ট গুলো তৈরি করার যোগ্যতা থাকতে হবে।

অর্থাৎ আপনি যে কাজই করো না কেন সে ক্ষেত্রে ভালোভাবে জানা থাকলে এর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা বা সার্টিফিকেট এর কোন প্রয়োজন নেই।

মনে রাখবেন আপনি যদি অনলাইনে কাজ করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে কেউ জিজ্ঞাসা করবে না আপনার পড়াশোনা কতটুকু, তবে হ্যাঁ আপনাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করবে যে আপনি কাজ জানেন কিনা।

সুতরাং আপনি যে কাজটি করবেন সে কাজটি সম্পর্কে আপনার দক্ষতা থাকলে আপনি অবশ্যই অনলাইন থেকে ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন কোনরকম একাডেমিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই।

অনলাইনে আয়ের সুবিধা সমূহ

অনলাইনে কাজ করে ইনকাম করতে চাইলে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। অনলাইন ইনকাম এর বেশ কিছু সুবিধা হলঃ

  • ঘরে বসেই কাজ করা যায়।
  • যেকোনো সময় কাজ করা যায়।
  • নির্দিষ্ট কোন সময়ে কাজ করতে হয় না।
  • আনলিমিটেড ইনকামের রাস্তা খোলা আছে।
  • আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আজীবন আয় করতে পারবেন।
  • বেশ কিছু কাজ রয়েছে যা একবার করলে সারাজীবন সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।
  • অনলাইনে কাজ করলে অফিসের প্রয়োজন হয় না।
  • কাউকে জবাবদিহিতা করতে হয় না।
  • ধোকা খাওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকেনা
  • আপনি যতটুকু কাজ করবেনা সে অনুযায়ী পেমেন্ট পাবেন

অনলাইনে আয়ের অসুবিধা সমূহ

অনলাইনে কাজ করে ঘরে বসে আয় করতে চাইলে সুবিধার পাশাপাশি বেশ কিছু অসুবিধাও রয়েছে। এই অসুবিধাগুলো তেমন কোনো কার্যকরী নয় ইচ্ছা করলেই সে গুলোকে জয় করা যায়।

অনলাইনে ইনকাম করার যে অসুবিধা গুলো রয়েছে তা হলোঃ

  • প্রথম অবস্থায় আয় খুবই কম হয় এবং বেশি সময় লাগে
  • অনলাইনে ইনকামের জন্য কাজ করার পূর্বে দক্ষতা অর্জন করতে হয়
  • ঘরে বসে কাজ করতে গেলে একঘেয়েমি ভাব তৈরি হয়
  • অবসর টাইমে কাজ করার ইচ্ছা কম থাকে
  • অনলাইনে কাজ করতে গেলে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া যায় না
  • ফেসবুক কিংবা অন্যান্য বিনোদনমূলক কাজগুলো থেকে বঞ্চিত হয়
  • কিছু কিছু কাজের ক্ষেত্রে এককালীন কিছু খরচ করতে হয়

তবে হ্যাঁ এর সকল অসুবিধাগুলো, কোন অসুবিধার মধ্যে পড়ে না। আর যদি কেউ অনলাইনে কাজ করার জন্য অতিরিক্ত সময়ে নির্বাচন করে নেয় তাহলে সেক্ষেত্রে সমস্ত অসুবিধার কোন অস্তিত্বই থাকবে না।

অনেকেই আছেন যারা বাসায় অনেক সময় অবসর থাকেন আপনারা চাইলেই সে সময় গুলোকে অনলাইনে আয়ের পেছনে কাজে লাগাতে পারেন।

Read More-

অনলাইনে আয়ের জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম

অনলাইন থেকে ইনকাম করার সুবিধা ও অসুবিধা এবং বিস্তারিত অনেক কিছুই জানলেন এখন কথা হচ্ছে কোথায় থেকে ইনকাম করবেন?

হ্যাঁ বন্ধুরা অনলাইন থেকে ইনকাম করার জনপ্রিয় যে মাধ্যমগুলো রয়েছে তার মধ্যে বহুল পরিচিত এবং বেশি জনপ্রিয় মাধ্যম গুলো আলোচনা করছি।

১। ব্লগিং করে আয় (earn with Blogging)

অনলাইন থেকে আয় করার জনপ্রিয় মাধ্যম গুলোর মধ্যে প্রথমেই যে বিষয়টি আসে সেটি হল ব্লগিং। ব্লগিং করে অনলাইন থেকে খুব সহজে ইনকাম করা যায়। অনলাইনে আয় করার যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গুলো রয়েছে তার মধ্যে তুলনামূলক সহজ হলো ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম।

ব্লগিং করে অনলাইনে আয় করার বেশ কিছু আলাদা আলাদা সেক্টর রয়েছে যেগুলো থেকে ব্লগের মাধ্যমে আয় করা যায়।

গুগল এডসেন্স (Google Adsense): 

ব্লগিং করে আয় করতে চাইলে সর্বপ্রথম এই যে বিষয়টি আসে সেটি হল গুগল এডসেন্স। ব্লগারদের সেরা পছন্দ হল গুগল এডসেন্স। এটি গুগলের প্রোডাক্ট। গুগল এডসেন্স হলো web-based এড নেটওয়ার্ক, যেটি গুগোল দ্বারা পরিচালিত।

2003 সালের 18 জুন গুগোল এই প্লাটফর্ম টা চালু করে আজ পর্যন্ত পরিচালনা করে আসছে। এটি খুবই বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। অন্যান্য নেটওয়ার্ক এর তুলনায় গুগল এডসেন্স থেকে প্রায় 10 গুণ বেশি ইনকাম করা সম্ভব। তাই এটি সবার প্রথম পছন্দের মধ্যে থাকে।

বর্তমানে অনেক ব্লগার রয়েছে যারা ব্লগিং করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক কোটির বেশি ইনকাম করে থাকেন প্রতিমাসে।

গুগল এডসেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে দেখুন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing): 

ব্লগিং করে ইনকাম করার দ্বিতীয় যে মাধ্যমটি রয়েছে সেটি হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনার যদি একটি ভাল মানের ব্লগ থাকে তাহলে সেই ব্লগে বিভিন্ন ধরনের পণ্য এফিলিয়েট এর মাধ্যমে বিক্রয় করে সেখান থেকে কমিশন আকারে খুব সহজে আয় করতে পারবেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ভার্চুয়াল মার্কেটের এফিলিয়েট মার্কেটিং কি প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে থাকেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অন্য কোন কোম্পানির পণ্য আপনার রেফারেন্স এর মাধ্যমে বিক্রয় করে কমিশন অর্জন করাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার রা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন ঘরে বসেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো জানতে এই আর্টিকেলটি দেখুন।

বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর (Advertisement & Sponsor):

ব্লগিং করে আয় করার আরও একটি অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে বিজ্ঞাপন বা স্পন্সর বিজ্ঞাপন। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং তাতে প্রচুর ভিজিটর থাকে তাহলে যে কোন কোম্পানি বা যেকোনো প্রডাক্টের মালিক আপনার ওয়েবসাইটে তাদের প্রোডাক্ট বিক্রয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে অফার করবে।

এবং তার সাথে কন্টাক্ট এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারেন এতে মাস শেষে আপনার মোটামুটি ভালো ইনকাম হবে।

প্রোডাক্ট প্রমোশন (Product Promition):

ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে প্রডাক্ট প্রমোশন করা। অর্থাৎ কোন পণ্য এর ভালো-মন্দ সকল দিক রিভিউ করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার মাধ্যমে একজন গ্রাহক সেবা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে এবং কিনতে আগ্রহী প্রকাশ করবে। এতে প্রোডাক্টের মালিক আপনাকে পেমেন্ট করবে। যেহেতু আপনার প্রমোশনের দ্বারা তার প্রোডাক্টের বিক্রয় বৃদ্ধি হয়েছে।

প্রডাক্ট প্রমোশন করে অনলাইনে ইনকাম করার মাধ্যম সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে।

২। ইউটিউব থেকে আয় (Earn with Youtube)

অনলাইনে ইনকাম করার জনপ্রিয় মাধ্যম গুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইউটিউব। বর্তমানে ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশ থেকে বাংলা এবং হিন্দি ভাষায় ইউটিউব করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে এরকম অনেক ইউটিউবার রয়েছে। যেটা আপনার অজানা নয়।

এখন কথা হলো ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়। হ্যাঁ বন্ধুরা এখন আমি সেটাই আলোচনা করছি কিভাবে ইউটিউব এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চাইলে প্রথমে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে এবং সেটিকে ভালো ভাবে সাজাতে হবে। তারপর সেখানে ভাল কনটেন্ট আপলোড করতে হবে। যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভিওয়ার আসতে থাকবে তখন আপনি নিচের মাধ্যমগুলো অবলম্বন করে ইউটিউব থেকে ভালো পরিমাণে অর্থ আয় করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম টি হল গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশন। গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমি উপরে আলোচনা করেছি। তবে ইউটিউব এ গুগল অ্যাডসেন্স মনিটাইজ করার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।

আপনার যদি একটি ভাল মানের ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেখানে 1000 সাবস্ক্রাইবার এবং 40 হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকে তাহলে গুগল অ্যাডসেন্স মনিটাইজ অন করতে পারবেন।

এবং গুগল এডসেন্স থেকে খুব ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন।

বর্তমানে গুগোল একটি নতুন আপডেট নিয়ে এসেছে, সেটি হল: যদি আপনার ওয়েবসাইটে এক হাজারের কম সাবস্ক্রাইবার এবং 40 হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম এর কম ভিউ থাকে, তাহলেও গুগোল আপনার চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবে। কিন্তু সেই বিজ্ঞাপনের কোন অংশ আপনি পাবেন না।

যখন মনের জন্য শর্ত সমূহ পূরণ হবে তখন থেকে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে।

ইউটিউব মনিটাইজেশন এর বিস্তারিত এখানে

এফিলিয়েট মার্কেটিং

ব্লগের মাধ্যমে যেমন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করা যায় সেরকম ভাবে ইউটিউব এর মাধ্যমেও পণ্য বিক্রয় করে তথা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। বর্তমানে অনেক ইউটিউবার যারা ইউটিউব এর মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করছে এবং হিউজ পরিমান এ ইনকাম করছে।

বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর

বিভিন্ন স্পন্সর এবং বিজ্ঞাপন দাতাদের থেকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়। তবে স্পন্সর বিজ্ঞাপন গুলো ইউটিউবে কম পেমেন্ট করে থাকে।

প্রোডাক্ট প্রমোশন

প্রডাক্ট প্রমোশন করে ইউটিউব থেকে ইনকাম ব্লগ এর চেয়ে অধিক করা সম্ভব।

৩। ডিজিটাল মার্কেটিং

অনলাইন থেকে আয় করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং হলো যেকোনো পণ্য বা সেবার অনলাইনভিত্তিক প্রচার প্রচারণা করা। ডিজিটাল মার্কেটিং করে বিভিন্ন সেক্টর থেকে খুব সহজেই প্রচুর পরিমানে আয় করা সম্ভব।

ফেসবুক মার্কেটিং

ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং

টুইটার মার্কেটিং

গুগল এডওয়ার্ড মার্কেটিং

রেডিত মার্কেটিং

পিন্টারেস্ট মার্কেটিং

সিপিএ মার্কেটিং

লিড জেনারেশন

 

৪। ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে ইনকাম

৫। গ্রাফিক্স ডিজাইন : লগো ডিজাইন, টি শার্ট ডিজাইন, ব্যনার ডিজাইন, প্রোডাক্ট ডিজাইন, প্যাকেজিং ডিজাইন, ফ্লায়ার ডিজাইন,

৭। ওয়েব ডিজাইন

৯। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

৮। আর্টিকের রাইটিং

১০। ওয়ার্ড প্রেস থিম কাষ্টমাইজ ও ডেভেলপমেন্ট

১১। ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট

১২। মোবাইল /এন্ড্রেয়েড এপ ডেভেলপমেন্ট

১৩। ই-মেইল মার্কেটিং

১৪। ই-কমার্স

১৫। ড্রপশিপিং

১৬। ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

১৭। ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিং রিসেলার

১৮। অনলাইন সার্ভিস এজেন্সি

১৯।

 

 

অনলাইন ইনকাম করার জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসগুলি

আপওয়ার্ক

ফাইভার

ফ্রিল্যান্সার

পিপল পার আওয়ার

গুরু

99ডিজাইন

 

Leave a Comment